কোনটি দিয়ে বেশি টাকা ইনকাম করা যায় ইউটিউব নাকি ব্লগিং ? অনলাইনে কিভাবে আয় করব?

আপনারা আজকে যেসব বিষয়ে জানতে পারবেনঃ-

Blogging কি?

Blogging এ টাকা ইনকাম এর ক্ষেত্রে?

Blogging করে টাকা ইনকাম এর উপায় ?

YouTube কি?

YouTube এ টাকা ইনকাম এর ক্ষেত্রে?

YouTube থেকে টাকা ইনকাম এর উপায়?

Blogging এবং YouTube এর মধ্যে পার্থক্য কি?

Blogging ?

YouTube ?

অনলাইনে যারা কাজ করতে চায় তাদের মনে Blogging এবং YouTube নিয়ে যে দুটি প্রশ্ন ঘুরপাক খায় সে দুটি প্রশ্ন হচ্ছে আমি Blogging শুরু করব নাকি YouTube ভিডিও তৈরি করব। এ ক্ষেত্রে ব্লগিং ভালো হবে নাকি YouTube ভালো হবে, ব্লগিং করে বেশী টাকা ইনকাম করতে পারব নাকি YouTube থেকে বেশী টাকা ইনকাম করতে পারব? আপনাদের মধ্যে যাদের মাথায় এই সকল প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আমরা আজ তাদের সকল প্রশ্নের দ্বিধাদন্ধ ও সন্দেহ পরিষ্কার করে দেব আজকের এই পোষ্টে?

Blogging কি?

ব্লগ হল এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। ব্লগ শব্দটি ওয়েবব্লগের সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন।

সাধরণত ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অনেকে মনেকরেন যে, একটি ব্লগ তৈরি করা অনেক জঠিল কাজ। কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে খুব সহজে মাত্র ৫ মিনিটে একটি নিজের ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন। অনলাইনে নিজের একটি ব্লগ থাকার মধ্যে অনেক আনন্দও রয়েছে।

Blogging এ টাকা ইনকাম এর ক্ষেত্রে

অনলাইন হতে টাকা আয় করার যত ধরনের মাধ্য আছে তাদের মধ্যে Blogging হচ্ছে সহজ, জনপ্রিয় এবং অন্যতম একটি মাধ্যম। ব্লগে আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে দীর্ঘদিন আয় করা যায়। একটি ব্লগে প্রতিদিন ১০০০ ভিজিটর থাকলে YouTube এর ১ লক্ষ ভিজিটর ও ১ মিলিয়ন Subscriber সমৃদ্ধ চ্যালেন এর চাইতে বেশী টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবে।

Blogging করে টাকা ইনকাম এর উপায় ?

যাদের ব্লগে প্রতিদিন মিনিমাম ১০০০ ভিজিটর রয়েছে তারা ইচ্ছা করলে খুব সহজে এ্যাডসেন্স এর পাশাপাশি আরো বিভিন্ন মাধ্যম হতে আয় করতে পারবেন। যেমন-

  1. AdSense.
  2. Affiliate Marketing.
  3. Direct ads placement.
  4. Other ads networks like- Media.net and Infolinks.
  5. Sponsorship, etc.

YouTube কি?

YouTube এমন একটি online video portal যেটা আমার এবং আপনার মতো সাধারণ লোকেদের কারণেই এতটা সফল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে, বিশ্বজুড়ে আমার এবং আপনার মতো সাধারণ লোকেরাই ভিডিও তৈরি করে আপলোড করছেন।
প্রতিদিন গড়ে ৫ বিলিয়ন ভিডিও YouTube এ ভিউ হয় এবং প্রতিদিন প্রায় ৩০ মিলয়ন লোক ভিডিও দেখে থাকেন। তাছাড়াও প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ নতুন ভিডিও ইউটিউবে আপলোড হয়ে থাকে। আপনি জেনে আরো অবাক হবেন প্রতি এক মিনিটে YouTube গড়ে ৩০০ মিনিট ভিডিও আপলোড হয়ে থাকে।

YouTube এ টাকা ইনকাম এর ক্ষেত্রে

ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা উপার্জন আপনি থখন কোরতে পারবেন যখন আপনি নিজের চ্যানেলকে monetization এর জন্য চালু করেন। … তাহলে এখন ভাবেন, যদি আপনার চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিওতে ডেইলি মোট ৫০০০ ভিউ হয়ে থাকে তাহলে আপনার প্রায় ৫ থেকে ১০ ডলার বা তার থেকেও বেশি ইনকাম প্রতিদিন হতে পারে।

সহজভাবে বলা যায় যে, ভিডিও যতবেশী ভিউ হবে ইনকামও তত বেশী হবে। আমার অনেক পরিচিত বাংলাদেশী ও কলকাতার ইউটিউবার আছে যারা মাসে ২-৩ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।

YouTube থেকে টাকা ইনকাম এর উপায়?

সাধারণত একজন ইউটিউবার এর ইনকাম করার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে Google Adsense. তাছাড়াও যে সব মাধ্যমে ইনকাম করা যায়ঃ-

  1. Google Adsense.
  2. Affiliate Marketing.
  3. Sponsorship, etc.

Blogging এবং YouTube এর মধ্যে পার্থক্য কি?

YouTube:

  1. ভিডিও আপলোড করার জন্য YouTube কে কোন ধরনের টাকা পরিশোদ করতে হয় না। কারণ এখানে Domain and Hosting ক্রয় করার মত কোন ঝামেলা নেই। ভিডিও আপলোড করার জন্য ইউটিউব আনলিমিটেড স্টোরেজ ফ্রি দিয়ে থাকে।
  2. YouTube এ ভিডিও ব্যতীত অন্য কোন ধরনের রিসোর্স আপলোড করা যায় না।
    এখানে কোন ধরনের ডিজাইন করা যায় না ( তবে ডিজাইন করার প্রয়োজন হয় না)।
  3. যেহেতু YouTube হচ্ছে গুগল হোস্টেড সেহেতু এটির পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্টা করা সম্ভব হয় না। YouTube এর নিয়ম ভঙ্গ করলে যেকোন সময় চ্যানেল সাসপেন্ড হতে পারে।
  4. ব্লগের তুলনায় ইউটিউবে আয়ের উৎস খুবই কম।
  5. ভিডিও আপলোড করার জন্য খুব একটা জ্ঞানের প্রয়োজন না থাকলেও ভিডিও তৈরি এবং এ্যাডিটিং করার জন্য যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে।

    Blogging

    1. প্রফেশনালি ব্লগিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে Domain and Hosting কিনে নিতে হবে। তবে পার্সোন্যালি ব্লগিং করতে চাইলে Google Blogspot দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগিং করতে পারবেন।
    2. একজন ব্লগার তার ইচ্ছামত আর্টিকেল, অডিও, ভিডিও এবং ছবি সহ বিভিন্ন রিসোর্স ব্লগে আপলোড করতে পারেন।
    3. একটি ব্লগ স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দমত ডিজাইন করা যায়। প্রয়োজনে বিভিন্ন প্লাগইন ব্যবহার করে ব্লগ অপটিমাইজ করা যায়।
    4. একটি Shelf Hosted ব্লগের মালিক আপনি নিজেই। ব্লগের পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে থাকবে।
    5. ব্লগিং করে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায়। এমনকি একজন ব্লগার ক্লায়েন্ট কাছ বিজ্ঞাপন নিয়েও ব্লগে শো করাতে পারেন।
    6. ব্লগ ম্যানেজ ও মেনটেইন করা কিছু জঠিল কাজ। ব্লগ ডিজাইন ও মেনটেইন সম্পর্কে মিনিমাম জ্ঞান না থাকলে ব্লগিং করা সম্ভব হয় না।

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.