এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ দশটি দেশ। বিশ্বের সেরা দেশ?

হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সকলেই ভাল আছেন। আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি। আমি আজকে আপনাদের সামনে এশিয়া মহাদেশের সেরা দশটি দেশের সম্পর্কে আলোচনা করব। তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাকঃ


এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ব মোট 49 টি দেশ রয়েছে। এর মধ্যে কোন দেশ অনেক ধনী আবার কিছু গরিব দেশ রয়েছে অনেক। আজকের আমি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ধনী 10 টি দেশ সম্পর্কে জানতে চলেছি। যারা অনেক ধনী দেশ ছিল তারা এখন আর সেরা 10 ধনী দেশের তালিকায় নেই। বরং ধনী দেশগুলোর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো। তো বন্ধুরা চলুন দেখে নেওয়া যাক 2021 সালে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী 10 টি দেশ সম্পর্কে।


কাতারঃ


কাতার এশিয়ার সবচেয়ে ধনী দেশ হল কাতার। শুধু এশিয়া মহাদেশের মধ্যে নয় বরং পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর মধ্যে কাতার অন্যতম। এটি পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে, দেশের ইনকামের কাছাকাছি পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ নেই। কাতারের মোট জনসংখ্যার চেয়েও 7 গুণ বেশি মানুষ বাহিরের দেশের। কাতারে কাজের জন্য এসেছে আয়তনে কাতার বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের চেয়ে অনেক ছোট। এত ছোট দেশ হবার পরেও অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী।

দেশ হওয়ার পেছনে ভূমিকা রয়েছে। তেল সম্পদের চেয়ে ভালো কিছু বিনিয়োগের 2016 সালের হিসাব অনুযায়ী কাতারের মাথাপিছু জি ডি পি ছিল এক লাখ 29 হাজার 700 মার্কিন ডলার। কিন্তু বর্তমানে কাতারের মাথাপিছু আয় কমে গেলেও এশিয়ার এক নম্বর ধনী দেশ। কাতারের মোট আয়তন 1437 বর্গ কিলোমিটার। কাতারের মোট জনসংখ্যা মাত্র 26 লক্ষ। কাতারের নারীদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা অনেক বেশি।

এ দেশে মোট জনসংখ্যার মাত্র সাত লক্ষ নারী। ও পুরুষের বিপরীতে একজন নারী কাতারে বসবাসকারী নাগরিকদের কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হলো 2022 সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে কাতারে। সুন্দরী মেয়েদের বেলি ডান্স অনেক জনপ্রিয়। ২০১৪ সালের পর থেকে কাতারের অধিবাসীর মাথাপিছু আয় প্রতিবছর কমছে ১৫ হাজার ডলার।


সিঙ্গাপুরঃ

সিঙ্গাপুর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধনী রাষ্ট্র। সিঙ্গাপুর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুর কে এশিয়ার অর্থনৈতিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মূলত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি অর্থনৈতিক সেবা খাত দেশটির প্রধান আয়ের উৎস। এছাড়াও প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টুরিস্ট ঘুরতে আসা সিঙ্গাপুরে।

সিঙ্গাপুরের মাথাপিছু আয় 68 হাজার মার্কিন ডলার। সিঙ্গাপুর শহর বলা হলেও বাস্তবে সিঙ্গাপুরে কোন সিংহ নেই। আপনি জানলে অবাক হবেন মাত্র 700 বর্গকিলোমিটারের। এ দেশের নিজস্ব কোন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা নেই। এদেশের মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করতে হয়। মাত্র 120 জন জেলে দেশ বর্তমানে এশিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধনী দেশ। উন্নয়নের মূল কারণ হলো এদেশে কোনরকম দুর্নীতি নেই।

এজন্য মাত্র 50 বছরের এগিয়েছে সিঙ্গাপুরে কোন যানজট নেই বললেই চলে। সিঙ্গাপুরে থাকা-খাওয়ার খরচ অনেক বেশি এখানে দুই রুমের একটি বাসা ভাড়া প্রতিমাসে 4 থেকে 5 লক্ষ টাকা। আর গত বছর সিঙ্গাপুর দ্বিতীয়বারের মতো পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল রাষ্ট্রীয় খেতাব পেয়েছে। সিঙ্গাপুরে ক্যাসিনো বৈধ বিশ্বের সবচেয়ে বড় তিনটের মধ্যে একটি সিঙ্গাপুরে অবস্থিত। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম, স্মার্ট নীতি ও সঠিক নেতৃত্বের গুণে সিঙ্গাপুর এখন অন্যতম ধনী দেশ।


হংকং

হংকং এশিয়ার তৃতীয় সর্বোচ্চ ধনী দেশ। হংকং দেশটি দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। কয়েকটি জেলে পরিবার নিয়ে হংকং দেশটির জন্ম হয়। আর দুর্নীতিমুক্ত দেশ হওয়াতে হংকং অনেক দ্রুত উন্নতি সাধন করে। বর্তমানে হংকংয়ের মাথাপিছু আয় 50 হাজার মার্কিন ডলার। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র বলা হয় হংকংকে।

হংকং দেশটিতে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আকাশ ছোঁয়া উঁচু বিল্ডিং। আবার সিঙ্গাপুরের মতো পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল শহর গুলোর মধ্যে একটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। জনসংখ্যা প্রায় 70 লক্ষ ।হংকং এর মুদ্রার নাম হংকং ডলার 1 ডলার বাংলাদেশি 10 টাকা সমান ।আপনি আরেকটি তথ্য জানলে অবাক হবেন হংকংয়ের একটি দুই রুমের বাসা ভাড়া প্রতি মাসে পাঁচ লক্ষ টাকা প্রায়।

তাহলে আপনি বুঝতে পারছেন হংকং শহর নাম্বার জাপান এশিয়ার সর্বোচ্চ ধনী দেশ জাপান। জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়ে থাকে। বর্তমানে জাপানের মাথাপিছু আয় 30 হাজার মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক দ্রুত উন্নতি সাধন করে। জাপানে রয়েছে যা সারা বিশ্বের বিখ্যাত বলা হয়ে থাকে ।জাপানের মানুষ অনেক পরিশ্রমী তারা কখনো সময়ের অপচয় করে না। আর এই কারণে জাপান আজ এত উন্নত সংযুক্ত।


জাপানঃ

এশিয়ার চতুর্থ সর্বোচ্চ ধনী দেশ জাপান। জাপান জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়ে থাকে। বর্তমানে জাপানের মাথাপিছু আয় 30 হাজার 200 মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক দ্রুত উন্নতি সাধন করে। জাপানের এমন অনেক ব্যান্ড রয়েছে, যা সারা বিশ্বের বিখ্যাত বলা হয়ে থাকে। জাপানের মানুষ অনেক পরিশ্রমী তারা কখনও সময়ের অপচয় করে না। আর এই কারণে জাপান আজ এত উন্নত।


আমিরাতঃ

ফাইভ নাম্বার সংযুক্ত আরব আমিরাত এশিয়া মহাদেশের মধ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ ধনী দেশ হল সংযুক্ত আরব আমিরাত। আবুধাবি রাজধানী এবং দুবাই আরব আমিরাতের জনপ্রিয় একটি শহর থেকে 70 বছর পূর্বে অনেক গরীব রাষ্ট্র ছিল। এদেশের মানুষ জন ঠিকমতো খাবার খেতে পেত না। তবে স্বাধীনতার পর আরব আমিরাত অনেক দ্রুত উন্নতি সাধন করে। আরব আমিরাতে রয়েছে অসংখ্য সোনার খনি।

এ দেশের প্রধান উৎস এছাড়াও খেজুর ও প্রাকৃতিক গ্যাস্। রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে ।আরবআমিরাত বর্তমানে আরব আমিরাতের জনগণের মাথাপিছু আয় 42 হাজার মার্কিন ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত এশিয়ার সর্বোচ্চ ধনী দেশে পরিণত হয়েছে।

আরব আমিরাত মুসলিম দেশ হলেও এদেশের মানুষ অনেকটা আমেরিকান স্টাইলে জীবন যাপন করে থাকে। আর পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে জাতির কথা বলা হয়। তাহলে সেটি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাইয়ের মানুষজন যে হারায় তার পৃথিবীর অন্য কোন দেশে দেখা যায় না।


ব্রুনাইঃ


ব্রুনাই এশিয়ার সর্বোচ্চ ধনী দেশ। ব্রুনাই তেল শিল্পের উপর নির্ভরশীল। ব্রুনাইয়ের 10 ভাগ মানুষ তেল শিল্পের সাথে জড়িত। অন্যান্য শিল্পের মধ্যে রয়েছে রাবার কাগজ। এবং কার্ড শিল্প। এছাড়াও কুটির শিল্পের মধ্যে রয়েছে নৌকা তৈরি জিনিসপত্র ইত্যাদি। শাসিত দেশ এ দেশের প্রধান সুলতানপুর ধনী হয়।

এদেশের জনগণ দেশের সরকারের কাছ থেকে প্রচুর সুবিধা পেয়ে থাকে। বসবাসকারী জনগণের কোনো রকম ট্যাক্স দিতে হয় না। সম্পত্তিতে তেল গেস অন্যান্যদের থেকে মনোযোগী হচ্ছে। ব্রুনাই জনগণের মাথাপিছু আয় 30 হাজার মার্কিন ডলার। সাড়ে চার লাখ অধিবাসীর এই দেশে ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের আয় বছরে এক হাজার ডলারের কম।

কুয়েতঃ

কুয়েত এশিয়ার সর্বোচ্চ ধনী দেশগুলো কুয়েত। কুয়েত পশ্চিম এশিয়ার ছোট তেল সমৃদ্ধ একটি দেশ। ও জনগণের মাথাপিছু আয় 32 হাজার মার্কিন ডলার ।অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা 50 লাখের মত। এর মধ্যে রয়েছে মাত্র 15 লাখ অর্থাৎ বসবাসকারী 70 শতাংশ মানুষই বিদেশি।

কুয়েতের রাজধানী হল পৃথিবীর সর্ববৃহৎ রয়েছে এদেশের পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মধ্যে অন্যতম হচ্ছে। আমার মনে হয় খুবই দ্রুত ধনী রাষ্ট্র হয়ে যাবে বর্তমানে। ইন্টারনেটের যুগ আর আমরা সকলেই ফেসবুক এবং ইউটিউব ব্যবহার করে থাকি। আমরা সকলেই জানি ফেসবুক এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। বিদেশি পুরুষকে বিয়ে করে তাহলে তাদের সন্তানকে কখনোই কুয়েতের নাগরিত্ব পাবে না।

কুয়েতের সবারই ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। প্রচন্ড গরমে গাড়িতে চলাফেরা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। একটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করবেন সেখানে তাদের পুরনো জিানস দেখতে পাবেন রাস্তার পাশে পড়ে আছে। 32 ইঞ্চি টিভি অথবা নতুন ব্যবহৃত গাড়ি একদম নতুনের মত।

উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত পৃথিবীর দেশগুলোর থেকে আকৃতিতে ছোট হলেও, সারা বিশ্বের ধনী দেশগুলোর অবস্থানে থেকে অন্যান্য দেশগুলো থেকে আলাদা। কুয়েতের মোট দেশজ উৎপাদন জিডিপির ৪০ শতাংশ আসে তেল থেকে, রপ্তানির ৯০ শতাংশই তেল।


বাহারাইনঃ


বাহারাইন এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অষ্টম সর্বোচ্চ ধনী দেশ। বাহারাইন বাহারি নামের অর্থ 200 মুদ্র বাহারানি প্রথম খনিজ তেলের সন্ধান পাওয়া যায়। আর তেল শোধনাগার তারাই প্রথম তৈরি করে আকারে ক্ষুদ্র হলেও তেল সম্পদের কারণে অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী। বর্তমানের অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল বর্তমানে জনগণের মাথাপিছু আয় 30 হাজার মার্কিন ডলার টাকা।


প্রায় 5000 বছর আগেও বাহারাইন একটি বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল। সবসময়ই বেশি শক্তিশালী প্রতিবেশীদের অধীনস্থ ছিল সতের শতকে। এটি ইরানের দখলে আসে 1783 সালের মধ্যে। সৌদি আরবের আল খলিফা পরিবার নিজেদেরকে বাহরাইনের শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এবং তখন থেকে তারাই দেশ থেকে শাসন করে আসছে। হাজার 90 শতকের কিছু শান্তি চুক্তির ফলে যুক্তরাজ্য দেশটির প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব পায়। 1971 সালে স্বাধীনতা / পর্যন্ত ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়। যা আজ পর্যন্ত অব্যাহত 778.3 বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশটিতে প্রায় 14 লাখ 50 হাজার মানুষের বসবাস। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের 174 তম দেশ মালদ্বীপ। আরবি ভাষা বাহরাইনের সরকারি ভাষা তবে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির প্রায় 70% মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। একসাথে খ্রিস্টান ধর্মের 15 শতাংশ এবং হিন্দু ধর্মের প্রায় 10 শতাংশ মানুষের বাস।

এদেশে বাহরাইন এর রাজধানীর প্রধান শহর শহর থেকে দেশের সবচাইতে বড় বাহারাইনে অবস্থিত। ইসলামিক ইতিহাসের 1345 সালে প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় কোন একটি দখল করে এবং পরে 1983 সালের অল্প কিছু সময় ছাড়া শহরটি আল-খলিফা রাজবংশের অধিকার রয়েছে। 1957 সালের মুক্ত বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং 1971 সালে এটি বাহরাইনের রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হয়।


তাইওয়ানঃ

তাইওয়ান এশিয়া মহাদেশের মধ্যে নবম সর্বোচ্চ ধনী দেশ হল তাইওয়ান। তাইওয়ান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। তাইওয়ান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধশালি হওয়াতে সারাবিশ্বে সুনাম কুড়িয়েছে তাইওয়ানের। মানুষের গড় মাথাপিছু আয় 30 হাজার মার্কিন ডলার ।আর এত বেশি টাকা নয় হওয়াতে তাইওয়ান এশিয়ার ধনী রাষ্ট্রের জায়গা দখল করে নিয়েছে।

সম্পন্ন তাইওয়ান এর উত্তর পশ্চিমে রয়েছে পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না উত্তর-পূর্বে জাপান এবং দক্ষিণে ফিলিপাইন। এশিয়া মহাদেশের পূর্বভাগে অবস্থিত তাইওয়ানের মোট আয়তন 36117 পর্ব 32 হাজার কুড়ি অনুযায়ী জনসংখ্যা দুই কোটি 36 লাখ। চার হাজার 265 জন প্রতি জনগণের প্রতি বর্গকিলোমিটারে 650 জন। আছে তাই মানব উন্নয়ন সূচক উন্নত বিশ্বের প্রথম 30 টি।

দেশের মধ্যে থাকে তার প্রতিক্রিয়ায় 2018 অনুযায়ী 14200 73.50 আমেরিকান ডলার। থেকেও অনেক বেশি ধনী দেশ হিসেবে মনে করতে পারলে তাইওয়ানকে। অনায়াসে স্বীকার করে নেওয়া যেতে পারে তাইওয়ান ডলার সমান 2.54 ইন্ডিয়ান রুপিয়া। অনুযায়ী 1 মিলিয়ন ডলার সমান সমান 2.8 বাংলাদেশ টাকা।


সৌদি আরবঃ


অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব সৌদি আরব। মুসলমানদের সবচেয়ে পবিত্র একটি দেশ। খনিজ সম্পদে ভরপুর। এ সৌদি আরব আরো বেশ কিছু কারণে সৌদি আরব সারা বিশ্ব বিখ্যাত। বর্তমানে সৌদি আরব সৌদির জাতীয় বাজেটের 75 শতাংশ। এবং 99% থেকে সারা বিশ্বে যে পরিমাণ তেলের মজুদ রয়েছে। তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ সৌদি আরবে রয়েছে। যার পরিমাণ 26 হাজার কোটি রিয়াল।

সৌদি আরবে স্বর্ণের খনি রয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবের জনগণের মাথাপিছু আয় 34 হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশ ও ভারতের কথা বলি তাহলে বাংলাদেশ এশিয়ার 23 তম ধনী রাষ্ট্র। এবং ভারত থেকে এশিয়ার 25 তম ধনী রাষ্ট্র। তবে বাংলাদেশে যে হারে করছে একসময় বাংলাদেশ এশিয়ার সেরা 10 ধনী রাষ্ট্রের চলে আসতে পারে। বিশ্বের সবথেকে ভালো খেজুর পাওয়া যায়নি বলে আমি জানি।

বাংলাদেশ বিশ্বের সেরা 10 টি দেশের মধ্যে থাকবে। যেভাবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। বাংলাদেশের সেরা 10 টি দেশের মধ্যে থাকবে।


তো বন্ধুরা, আমার এই পোষ্টটি আপনাকে ভালোলাগে। তাহলে আপনি অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। সকলে ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন।
ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.