টুইটার কি? টুইটার মার্কেটিং কি? কিভাবে টুইটার মার্কেটিং করতে হয়?টুইটার একাউন্ট কিভাবে খুলব?টুইটার এ কিভাবে ফলোয়ার বাড়ানো যায়?

টুইটার কি? টুইটার মার্কেটিং কিআজকে আমাদের মূল আলোচনা টুইটারকে ঘিরে । আজকে আমরা যেসব বিষয়ে জানবঃ-

  • টুইটার মার্কেটিং কি?
  • কেন আমরা টুইটার ব্যবহার করব?
  • ফলোযার কি.?এই ফলোয়ার বাড়ানোর উপাই কি.?
  • টুইটার একাউন্ট কিভাবে খুরবেন

টুইটার মার্কেটিং কি?

টুইটার মূলত একটি মাইক্রোব্লগিং সাইট। এটাকে অনেকে আবার বলে থাকে নিউজ বা সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট। ফেসবুকে আমরা যখন কোন কিছু টিউন করে তখন তাকে পোষ্ট বা স্ট্যাটাস বলা হয়। টুইটারে এই অংশকে বলা হয় টুইট। ফেসবুক পোষ্টে শব্দের নির্দিষ্ট লিমিটেশন না থাকলেও টুইটারে শব্দের লিমিটেশন আছে। আর এই লিমিটেশন হল ১৪০টি শব্দ বা (140 character) টুইট লেখার।

টুইটারে লিংক শেয়ার করা যায়। তবে যতবড় লিঙ্কই হোক না কেন সেটা অটোমেটিক ২৩ ক্যারেক্টার এ পরিনত হবে। এর বেশি হবে না।আর টুইটারে আপনি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে যে কোন নিউজকে সহজেই ভাইরাল করতে পারেন। তাই অনেকে টুইটার কে হ্যাশট্যাগ মার্কেটিং ও বলে থাকে।

টুইটার মার্কেটিং বর্তমান সময়ের অত্যান্ত জনপ্রিয় একটি প্রচার মাধ্যম। আপনি সহজে আপনার কাস্টমারের কাছে আপনার বিজ্ঞাপনটি প্রচার করতে পাচ্ছেন। আমরা আমেরিকান ইলেকশনের সময় টুইটার মার্কেটিং এর পাওয়ার সবাই দেখতে পেরেছি। এটির সাহায্য অতি সহজে এক দেশ থেকে অন্য দেশে বা এক শহর থেকে অন্য শহর, পৃথিবীর এক কোনা থেকে অন্য কোনাতে নিমিষেই কানেক্ট করা সম্ভব হচ্ছে।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে ফেসবুক এবং ইউটুব মার্কেটিং ই সবথেকে শীর্ষে আছে। কিন্তু আপনি যদি চান রিয়েল কাস্টমারের কাছে আপনার বিজ্ঞাপনটি প্রচার করতে চান তবে আপনার জন্য টুইটার ই সবথেকে ভালো মাধ্যম। কারণ সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, অভিনেতা, স্পোর্টম্যান সবাই অন্যন্য সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে বেশী একটিভ টুইটারে থাকে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজেরাই নিজেদের একাউন্ট পরিচালনা করে।

কেন আমরা টুইটার ব্যবহার করব?

আপনারা কিছু টুইটার টিপস বাংলার মাধ্যমে জেনে গেছেন যে টুইটার হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া। যেখানে প্রতি মাসে 600 কোটি এরও বেশি মানুষ সরাসরি প্রবেশ করে থাকে। তাই এখানে জনপ্রিয়তা অর্জন করা খুব বেশি কষ্ট হবে না। টুইটার এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে আপনি আপনার ব্যক্তিত্বকে আপনার ব্যবসা-বাণিজ্য কে সরাসরি বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন।

টুইটারের সবচেয়ে বড় উপকারী হচ্ছে এখানে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি ভিজিট করে থাকে এবং আপনি চাইলে আপনার ব্যক্তিত্ব বা ব্যবসা-বাণিজ্যকে বিশ্ববাজারে উপস্থাপন করতে পারেন। এরকম আরো অনেক ছোট ছোট সুযোগ সুবিধার জন্য আমরা টুইটার ব্যবহার করব।

ফলোযার কি.?এই ফলোয়ার বাড়ানোর উপাই কি.?

আমরা সকলে ফেসবুকে যেভাবে বন্ধু বাড়াই ঠিক তেমনি টুইটারের ক্ষেত্রে ফলোয়ার। ফ্রেন্ড এর জায়গায় ফলেয়ার। পাথক্য এখানে একটাই ফেসবুকে আমাদের যেমন ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট এস্কপেট করতে হয় টুইটারে তা করতে হয় না। আপনার মন যাকে চাইবে তাকেই ফলো করতে পারেন। টুইটার মার্কেটিং করতে চাইলে আসল কাজটিই হলো ফলোার বাড়ানো।

যার যত বেশি ফলোয়ার তার টুইট ততবেশি মানুষের কাছে পৌছবে। তবে মার্কেটিং করতে চাইলে এখানে তাকে ফলোয়ার বানানো বাদ দিয়ে নিসের উপর ফলোয়ার বাড়ানো উচিত। ধরুন আপনি ফাইভারে বা আপওর্যাক এ কাজ করেন তাহলে এখানে আপনার জন্য এগুলোর প্রতি ইন্টারেস্টেড যারা তাদের ফলোয়ার বানানো বা ফলো করা উচিত। এছাড়াও টুইটার মার্কেটিং ভালো করার জন্য কিছু টুলস আপনি ব্যাবহার করতে পারেন।

টুইটার একাউন্ট কিভাবে খুরবেন

টুইটার ব্যবহার করার আগে আপনাকে সর্বপ্রথম যেটি করতে হবে, একটি টুইটার একাউন্ট খুলতে হবে। টুইটার একাউন্ট খোলার জন্য যে যে বিষয়গুলির প্রয়োজন সেগুলো নিচে দেওয়া হলঃ

১. প্রোফাইল নাম দিতে হবে,
২. একটি রেজিস্ট্রেশন কৃত ফোন নাম্বার দিতে হবে অথবা আপনি চাইলে আপনার     ই-মেইল ব্যবহার করতে পারেন।
৩. আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে।
৪. আপনি যে মোবাইল নম্বর অথবা যে ইমেইল ব্যবহার করেছেন সেখান থেকে         ভেরিফাই করতে হবে।
৫. একটি প্রোফাইল পিকচার দিতে হবে।
৬. আপনি যে ঠিকানায় অবস্থান করছেন সেই ঠিকানা নাম দিতে হবে।
৭. আপনি আপনার প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে কিছু উপস্থাপন করুন যেটি দেখে         মানুষ আপনাকে অনুসরণ করতে পারে।

একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি হওয়ার পর আপনি টুইটার ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত টুইটারেও আপনারা কমেন্ট, পোস্ট, স্টরি করতে পারবেন। তবে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত টুইটারে পোস্ট কমেন্ট এবং স্টোরির আলাদা নাম আছে। নামগুলো হলো, যেমন ফেসবুকে আমরা পোস্ট করি

Leave a Reply

Your email address will not be published.