ফেসিয়াল কি?ফেসিয়াল করার নিয়ম?ফেসিয়ালের উপকারিতা ও অপকারিতা?

ফেসিয়াল কি?ফেসিয়াল করার নিয়ম?ফেসিয়ালের উপকারিতা ও অপকারিতা?আমরা আজকে জানতে পারব ফেসিয়াল সম্পর্কেঃ- দ্রুত পরুন-

  • ফেসিয়াল কি
  • ফেসিয়াল করার নিয়ম
  • প্রয়োজনীয় উপকরণ:
  • ফেসিয়ালের উপকারিতা ও অপকারিতা
  • সতর্কতা

চলুন জেনে নেওয়া যাক ফেসিয়ালের আগের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো

  • ত্বকের ধরণ বুঝে ফেসিয়াল করবেন, বিশেষজ্ঞরাই বলে দেবেন কোন ধরনের ফেসিয়াল দরকার আপনার।
  • সুগন্ধীতে এলার্জি থাকলে চেষ্টা করবেন গন্ধবিহীন ক্লিনজিং ক্রিম দিয়ে ফেসিয়াল করতে।
  • চেষ্টা করবেন প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ ফেসিয়াল বেছে নিতে।
  • বেসিক ফেসিয়াল বা ত্বকের ডিপ ক্লিনিং বা পরিষ্কারের কাজটি আপনি ঘরেই করে নিতে পারেন।
  • অ্যাডভান্সড ফেসিয়াল মাসে একবারের বেশি করবেন না, এতে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।
  • মাসে কখনোই দুইবারের বেশি ফেসিয়াল করবেন না।
  • বয়স ১৮ এর উপরে না হলে ফেসিয়াল না করাই উচিত।

ফেসিয়াল কি

ত্বকের জৌলুস ফেরে: ফেসিয়ালের মূল কাজ হল ত্বকের লোমকূপে জমে থাকা তেল, ময়লা পরিষ্কার করে ত্বকের আদ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখা। এতে ত্বকের হারানো সতেজতা ফিরে আসে। অনেক ফেসিয়ালে ‘এক্সফোলিয়েশন’ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এতে নতুন কোষ জন্মায় এবং ত্বকের বলিরেখা দূরীভূত হয়।

ফেসিয়াল করার নিয়ম

  • ১ চামচ চিনি ,১চামচ মধু ও ১চামচ কাঁচা দুধ
  • অথবা,১চামচ চালের গুড়া,১চামচ মধু ও ১ চামচ জলপাই তেল
  • অথবা, ১ চামচ বেসন,১ চামচ লেবু ও ১চামচ পানি।

এবার ১০-১৫ মিনিট পর মুখের স্ক্রাব আলতো করে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।মুখ ধোয়ার জন্য অবশ্যই কুসুম গরম পানিতে ছোট তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।ধোয়া শেষে মুখ একটি শুকনা তোয়ালের সাহায্যে মুছে ফেলুন।এবার পুরো মুখে আঙ্গুলের সাহায্যে ম্যাসাজ করুন।বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করুন।ম্যাসাজের ফলে মুখের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ।ত্বকের উজ্জ্বলতা বেরে যায়।মুখের গাল,কপাল,ঠোঁটের চারপাশ,থুতনিতে মধ্য আঙ্গুলের সাহায্যে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

অ্যালোভেরা জেল একটি ভালো ময়েশ্চরাইজার।এটি রোদে পোড়া দাগ দূর করে।ত্বকে পুনরায় উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। ঘরে বসে ফেসিয়ালের পর অবশ্যই ১-২ঘণ্টা অ্যালকোহলযুক্ত বা ক্যামিক্যালযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়।বিশেষ করে মেকাপ পণ্য নানারকম অ্যালকোহল দিয়ে তৈরী হয়।এতে ত্বকের আরো ক্ষতি হতে পারে। প্রতিমাসে অন্তত একবার হলেও ফেসিয়াল করা উচিত।

ফেসিয়ালের উপকারিতা ও অপকারিতা

দাগ ও পিম্পল চলে যায় ফেসিয়ালে ত্বকের অযাচিত দাগ চলে যায়। আবার ব্রোন বা পিম্পলের সমস্যা থাকলেও তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ত্বকে ময়লা থাকলে ব্রোন বা পিম্পল দেখা দেয়। আর ফেসিয়াল ত্বকে সব ময়লা ধুয়ে সাফ করে দেয়।নানা ধরনের ফেসিয়াল আছে। এর মধ্যে কিছু প্রকৃত অর্থেই বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তেমনই একটি ঝুঁকিপূর্ণ ফেসিয়ালের নাম ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল।

এই ফেসিয়ালে অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সুঁচ ব্যবহৃত হয়। এগুলি দিয়ে মুখ বা দেহের ত্বক থেকে দূষিত রক্ত বের করে দেওয়া হয়।ত্বকের জৌলুস ফেরে ফেসিয়ালের মূল কাজ হল ত্বকের লোমকূপে জমে থাকা তেল, ময়লা পরিষ্কার করে ত্বকের আদ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখা। এতে ত্বকের হারানো সতেজতা ফিরে আসে।

অনেক ফেসিয়ালে ‘এক্সফোলিয়েশন’ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এতে নতুন কোষ জন্মায় এবং ত্বকের বলিরেখা দূরীভূত হয়। শুধু তাই নয়, পুষ্টি উপাদানে ভরপুর ময়েশ্চারাইজার ত্বকে প্রবেশ করে। ফলে ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।

সতর্কতা

আপনার জীবনযাত্রা আর ত্বকের প্রকৃতি অনুযায়ী মাসে দু’ থেকে তিন বারের বেশি ফেসিয়াল না করাই ভাল। ফেসিয়াল করার পর সূর্যের আলোয় ঘণ্টা খানেক না বেরতে পারলেই ভাল। তাই মুখের ত্বকের স্বাস্থ ফেরাতে ফেসিয়াল করুন। তবে ফেসিয়াল করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলাও অত্যন্ত জরুরি।

আরো পরুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.