বাংলাদেশের বিখ্যাত ডাক্তার কে কে? বাংলাদেশের সেরা ডাক্তার কে কে?

হাই বন্ধুরা আপনারা সকলে ভালো আছেন। আপনাদের দোয়াতে আমি ভালো আছি। তো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সামনে বাংলাদেশের সেরা পাঁচটি ডাক্তার নিয়ে কিছু কথা বলবো। তো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ডাক্তারের প্রয়োজন হয়। পৃথিবীতে কোন মানুষ বলতে পারবেনা যে আমার ডাক্তার প্রয়োজন হয়না।

তো বন্ধুরা চলুন আজকে আমরা জেনে নেই বাংলাদেশের সেরা পাঁচটি ডাক্তার। আমার মনে হয় বাংলাদেশের এই সেরা সেরা পাঁচটি ডাক্তার দিয়ে যদি আপনারা রোগীকে চিকিৎসা করেন, তাহলে আমার মনে হয় আপনারা সফল হয়ে যাবেন। তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক। বাংলাদেশের সেরা 5 টি ডাক্তার নাম ঠিকানা সব বিষয়ে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।


বিস্তারিত


অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম
বাংলাদেশের বিখ্যাত ডাক্তারের মধ্যে প্রথম স্থানে অবস্থান করছে অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম। আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বিয়ে করে কোন কোন মেয়ে বাচ্চা ধারণ করতে পারে না, বা মা হতে পারে না, কোন পুরুষ বাবা ডাকটি শুনতে পারেন না। আপনি স্ত্রীকে অনেক ভালবাসেন তাই ডিভোর্স দিতে পারে না ।অনেক ডাক্তার দেখানোর পরও কোনো সুফল হচ্ছে না।

তাদের জন্য সবচাইতে বেস্ট ডাক্তার রাশিদা বেগম। যারা সর্বদা এই বিষন্নতা ছিল তারা ডাক্তার রাশিদা বেগমের কাছ থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করার পরে সন্তান জন্মদানের সক্ষম হয়েছে। এবং যারা একেবারে সন্তান জন্মদানে অক্ষম তাদের জন্য রয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা টেস্টটিউব। যদিও আমাদের দেশে উচ্চ শ্রেণীর মানুষেরা ইন্ডিয়া থেকে টেস্টটিউব মাধ্যমে বাচ্চা নিতে পারে। কিন্তু যারা মধ্যম শ্রেণীর মানুষ তাদেরকে ইন্ডিয়া থেকে টেস্ট টিউবের মাধ্যমে বাচ্চা নেওয়ার অর্থের প্রয়োজন হয়ে যায়।

সুতরাং তারা চাইলে বাংলাদেশ থেকে টেস্ট টিউবের মাধ্যমে বাচ্চা সহজে নিতে পারে। আর এই ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন ডাক্তার রাশিদা বেগম। ডাক্তার রাশিদা বেগমের ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টারে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে ।অসংখ্য মানুষের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে সফল হয়েছে। সুতরাং যারা এই সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন তারা যোগাযোগ করতে পারেন, অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম তিনি খুব সুন্দর ভাবে সু-যত্নে রোগীর সেবা দিয়ে থাকেন।

অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম একজন ভালো গাইনি ডাক্তার তো আপনারা অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম এর কাছে সেবা নিতে পারেন।
ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টার আল মানার হাসপাতাল ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মোহাম্মদপুর।

ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্ত
বাংলাদেশে সেরা বিখ্যাত ডক্টর মধ্যে দ্বিতীয় নাম্বারে অবস্থান করছে ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্ত। বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত লাগানো হাত,পা, গলা বিশেষজ্ঞ ডক্টর। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি। একজন প্রখ্যাত চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবায় অনন্য সাধারণ ২০১২ সালে তাকে চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি বর্তমানে ধানমন্ডি হসপিটালে রোগী দেখেন। ধানমন্ডি গ্রীন লাইফ হসপিটাল, এ হাসপাতাল এর ঠিকানাঃ গ্রীন লাইফ হসপিটাল ৩২ কে এম শফিউল্লাহ সরক ধানমন্ডি ঢাকা।

ডাক্তার রওশন আরা বেগম
বাংলাদেশে সেরা বিখ্যাত ডক্টর মধ্যে তিন নাম্বারে অবস্থান করছে ডাক্তার রওশন আরা বেগম। তিনি ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক। বাংলাদেশের মধ্যে যত গাইনি চিকিৎসা আছে সমস্ত গাইনি চিকিৎসার মধ্যে বেস্ট পার্ক এবং বিখ্যাত ডক্টর হলেন রওশনারা বেগম। বর্তমানে তিনি রোগী দেখেন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের ।সিরিয়াল নিতে অপেক্ষা করতে হয় ১০ থেকে ১৫ দিন।

ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল
বাংলাদেশের বিখ্যাত ডক্টর হিসেবে চার নম্বরে অবস্থান করছে ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল। এর ডক্টর গন পঞ্চ কোট সকলের কাম্য। আর এই চোখের জন্য সারা বাংলাদেশে আছে চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ।তার মধ্যে বিখ্যাত এবং সর্ব সেরা স্থান হচ্ছে ইসলামিয়া চক্ষু হসপিটাল। প্রত্যেকটা মানুষেরই চোখ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সুতরাং চোখের কোন অসুবিধা হলে অন্য কোন ডক্টরের কাছে দেখাবেন না।

প্রসঙ্গত বলে রাখি কিছুদিন আগেই চোখের ভুল চিকিৎসার কারণে চুয়াডাঙ্গা জেলায় অন্তত ২০০ মানুষ তাদের চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছে। সুতরাং যেখানে-সেখানে চোখের চিকিৎসা করাবেন না। চোখের জন্য একমাত্র বেস্ট হসপিটাল হচ্ছে ইসলামিয়া চক্ষু হসপিটাল চক্ষুরোগীদের অন্ধত্বসহ যাবতীয় চিকিৎসা হিসেবে ইসলামিয়া আই হস্পিতাল যাত্রা শুরুর ১৯৬০ সালের ২৯ জুলাই।স্থায় ও অস্থায়ী ডাক্তার মিলে মোট ১৫ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রয়েছে এই হাসপাতালে। যারা ৭টি চেম্বারে রোগী দেখেন।

রোগীদের সঠিক পরিচর্যার জন্য এখানে ৭৫ জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং ২৫ জন অপ্রশিক্ষিত নার্স রয়েছে। ইস্পাহানীর উদ্যোগেই হাসপাতালটি গড়ে ওঠে এটি একটি আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান। ঢাকা শেরে বাংলা নগর অবস্থিত

অধ্যাপক ডাক্তার কাজী দীন মোহাম্মদ
বাংলাদেশে সেরা বিখ্যাত ডক্টর মধ্যে ফাইভ নম্বরে অধ্যাপক ডাক্তার কাজী দীন মোহাম্মদ। তিনি বাংলাদেশের গর্বিত একজন বিখ্যাত ডাক্তার। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ হাত ঠিক ভাবে দাঁড়াতে পারছেন না। অথবা ইচ্ছার উপর নির্ভর করে হাত। প্রসারিত হচ্ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সমস্যা এই ধরনের সমস্যার সমাধান দ্বিতীয় চিকিৎসা করতে নিউরোলজিস্ট ডক্টর প্রয়োজন।

আর একজন ইউরোলজিস্ট ডাক্তার হিসেবে অধ্যাপক ডাক্তার কাজী দীন মোহাম্মদ অন্যতম। অধ্যাপক ডাক্তার কাজী দীন মোহাম্মদ এমবিবিএস এফসিপিএস। মেডিসিন এমডি বিষয়ক ডিগ্রি লাভ করেছেন তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক নিউরোমেডিসিন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তো বন্ধুরা আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনারা যদি এই বাংলাদেশের সেরা 5 টি ডাক্তারের কাছে গিয়ে থাকেন তাহলে ডাক্তারের সুবিধা-অসুবিধা আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আজ এই পর্যন্তই। সকলে ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন,
ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.