Restaurant

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই। আশা করি দেশ এবং দেশের বাইরে সবাই ভাল আছেন । ছবি দেখে অনেকেই হয়তো বুঝে গিয়েছেন আমরা আজ আপনাদের পদ্মার পাড়ে মাওয়া ফেরিঘাট সঙ্গে ইলিশ আকৃতির যে বিশাল রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেটি বিষয়ে জানব দেখাবো । মুন্সীগঞ্জের পদ্মার পাড়ে একদমই নতুন স্মৃতি রয়েছে এবং এর ভিতরে খাবারের মান কেমন খাবার ছাড়া আর কি কি রয়েছে ।

এখানে কত বিশাল এই রেস্টুরেন্ট এবং কেনই বা সবাই এই রেষ্টুরেন্টের যাবার জন্য মুখিয়ে আছে জানাবো সেই সব কিছুই তাই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন। প্রথমেই এই রেষ্টুরেন্টটিতে দেখব এরপর একে একে দেখাবো সব ।

দেখে অনেকেই হয়তো বুঝে গিয়েছেন আমরা আজ আপনাদের পদ্মার পাড়ে মাওয়া ফেরিঘাট সংলগ্ন ইলিশ আকৃতির যে বিশাল রেস্টুরেন্ট রয়েছে। সেটি দেখাবো মুন্সীগঞ্জের পদ্মার পাড়ে একদমই নতুন স্মৃতি রয়েছে । এবং এর ভিতরে খাবারের মান কেমন খাবার ছাড়া আর কি কি রয়েছে। এখানে বিশাল এই রেস্টুরেন্ট এবং কেনই বা সবার জন্য মুখিয়ে আছে জানাবো সেই সব কিছুই তাই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন।

এই রেষ্টুরেন্টের নাম হচ্ছে আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ এর নামে। অর্থাৎ প্রজেক্ট ইলিশ দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ইলিশের আকৃতিতে নির্মাণ করেন রেস্টুরেন্ট।

ইলিশের আকৃতির স্থাপত্যের জন্য এই রেস্টুরেন্টে ঘিরে মানুষের আগ্রহ জন্মেছে ।বেশি যেহেতু মানুষ সবসময় নতুনত্ব খুঁজে তাই এই ব্যতিক্রমধর্মী রেস্টুরেন্টের নান্দনিক স্থাপত্য মানুষকে আকৃষ্ট করেছে ।
এই রেষ্টুরেন্টের শতাংশ জমির পরিমাণ প্রায় 12 হাজার স্কয়ার ফিট , এর মত এবং শুধুমাত্র রেস্টুরেন্ট এর আয়তন হচ্ছে প্রায় ছয় হাজার স্কয়ার ফিট এর মত বলা হচ্ছে। এখানে প্রায় 400 মানুষ একসাথে বসে খাবার খেতে পারবেন।


সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যেতে হচ্ছে এখন কোথাও গেলে বাইক গাড়ি পার্কিং করার জায়গা থাকে না ।তবে এখানে বাইক এবং গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জায়গা রয়েছে।


এখানে ইলিশ মাছ গুলোকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ইলিশের দাম ছিল প্রকারভেদে 1500 থেকে 4000 তবে প্রতিদিন এখানে ইলিশের দাম পরিবর্তন করা হয় বাজারের দাম অনুযায়ী।
যেহেতু রেস্টুরেন্টে দেখতে কিসের মতো এবং নামো ইলিশ তাই এখানে ইলিশ যে খাবারে আইটেম বেশি । এছাড়া দেশীয় বিভিন্ন ফলের জুস কপি এবং ফাস্টফুড আইটেম গুলো এখানে পাওয়া যায়। এখানে সব খাবারের মেনু বোতামগুলো পোস্টটি কোন অংশে পেয়ে যাবেন।


খুব সিম্পল ভাবে সাজানো হয়েছে ইলিশ এর ভেতর কি। ইলিশের গায়ের রঙ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে । এখানে এখানে ইলিশের পিঠে যে কাঁটা থাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
রেস্টুরেন্টের এক পাশে রয়েছে বাচ্চাদের জন্য কিস দাও । যেখানে বাচ্চার ভিডিও গেমস খেলতে পারবে। এইসব গ্লাস দিয়ে ঘেরা ঘরের ভেতরে ইলিশ রান্না করা হয়। যে কেউ চাইলে এখানে বসে রান্না দেখতে পারবে।
রেস্টুরেন্টে ব্যতিক্রমী হওয়াতে অনেক মানুষ এখানে ভিড় জমিয়েছে সব মিলিয়ে দেখতে । এবং এখানে পরিবেশ খুবই ভালো লেগেছে এবং এখানে খাবারের দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েছে ।

এখানে খাবারের সাথে 15% ভ্যাট এবং 10 শতাংশ সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। ইলিশ আকৃতির দেখতে ব্যতিক্রমধর্মী আপনারা পরিবারসহ ঘুরে যেতে পারেন । 30 জনের উপর একটু জায়গা রাখা হয়েছে। যেখান থেকে বসে কোন রেস্টুরেন্ট থেকে দেখা যায় । এবং এখান থেকে ইলিশের পেটি অংশ যাওয়া যায়।


লেজের অংশটিকে রাখা হয়েছে সেলফি প্রেমীদের জন্য । এবং এখান থেকে রেস্টুরেন্টের বাহিরের অংশ দেখা যায়।

হাই বন্ধুরা পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে। তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন ধন্যবাদ । সবাই ভাল থাকবেন

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.