বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইয়ারপোর্ট

হ্যালো কি খবর সবার। আজকের পোষ্টিতে আমরা দেখব বাংলাদেশে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছে। কোন এয়ারপোর্ট কি কাজে ব্যবহার করা হয়। এবং ঢাকা থেকে এই সকল এয়ারপোর্ট এর ভাড়া কত। এই সবগুলো বিষয় নিয়ে আমরা ওয়ান বাই ওয়ান আলোচনা করব আপনাদের মধ্যে। যারা বাংলাদেশের ইয়ারপোর্ট সম্পর্কে জানতে ইন্টারেস্টেড তাদের জন্য আজকের পোষ্টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর কথা না বাড়িয়ে, শুরু করা যাক।


বাংলাদেশে মোট ইয়ারপোর্ট হলোঃ বরিশাল এয়ারপোর্ট ,পটুয়াখালী এয়ারপোর্ট, শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট,কক্সবাজার এয়ারপোর্ট ,কুমিল্লা এয়ারপোর্ট ,দোহাজারী ইয়ারপোট ,চকরিয়া এয়ারপোর্ট ,হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট,টাঙ্গাইল এয়ারপোর্ট ,যশোর এয়ারপোর্ট,খান জাহান আলী ইয়ারপোর্ট,শাহ মখদুম এয়ারপোর্ট,ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট,বগুড়া এয়ারপোর্ট,সিরাজগঞ্জ এয়ারপোর্ট,সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট,লালমনিরহাট এয়ারপোর্ট, ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট,শমশেরনগর এয়ারপোট ।

ঢাকা বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
সর্বপ্রথম সেই এয়ারপোর্টের নাম আসবে সেটি হলো হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। এটি হলো বাংলাদেশের লার্জেস্ট ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। বিমান বাংলাদেশ, এয়ারলাইনস বাংলা, পাশাপাশি আরো অনেকগুলো কার্গো এয়ারলাইনস এয়ারপোর্ট থেকে হিসাবে ব্যবহার করে। বর্তমানে বিমানবন্দরটি under-construction রয়েছে। এই বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণাধীন। ঢাকা সিটির মধ্যে আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে পুরাতন বিমানবন্দর বলে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হওয়ার পূর্বেই বিমানবন্দরটিকে প্রধান বিমানবন্দর হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট ব্যবহার করে থাকে। ঢাকা বিভাগের মধ্যে আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে। যাকে টাঙ্গাইল এয়ারপোর্ট বলা হয়। এটি বর্তমানে পরিত্যক্ত 1965 সালের আগে ব্যবহার করা তৎকালীন সময়ে কার্গো আদান-প্রদানের জন্য এয়ারপোর্টে ব্যবহার করা হতো।

বরিশাল বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
বরিশাল বিভাগের দুটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে। একটি হলো বরিশাল এয়ারপোর্ট এবং অন্যটি পটুয়াখালী এয়ারপোর্ট। বরিশাল এয়ারপোর্ট ডোমেস্টিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়। নরমালে ঢাকা থেকে বরিশালের ভাড়া 2500 টাকা থেকে শুরু হয়। পটুয়াখালী এয়ারপোর্ট নিয়ে এটি বর্তমানে কমার্শিয়াল ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয় না। এটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। যার কারণে ট্যুরিজমের কথা মাথায় রেখে এয়ারপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এর কনস্ট্রাকশনের কাজ সম্পন্ন হয়নি। সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় বর্তমানে এয়ারপোর্টে ব্যবহার করে। বাংলাদেশ নেভি পাশাপাশি বিভিন্ন ইমারজেন্সি বিমান ল্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।


চট্টগ্রাম বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
প্রথমে যেই এয়ারপোর্টের নাম আসবে সেটি হল শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। এটি বাংলাদেশের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা শহরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এই বিমানবন্দর। সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার এর জন্য হাজার 1940 সালে তৈরি করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর 1972 সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম ডোমেস্টিক ফ্লাইট দিয়ে বিমানবন্দরটি যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে 1990 সালের বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করা হয়। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর।তারপর যে বিমানবন্দর নিয়ে আলোচনা করব সেটি হলঃ কক্সবাজার এয়ারপোর্ট ডোমেস্টিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়।অতি শীঘ্রই এদিকে ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দর রূপান্তরিত করা হবে। চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে এয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে কুমিল্লা এয়ারপোর্ট বলা হয়। কিন্তু বর্তমানে এখানে কোন ফ্লাইট অপারেট হয় না। বর্ডারের খুব কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই বিমানবন্দরটিকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জহিরুল হক এটি বর্তমানে মিলিটারি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। নোয়াখালী এয়ারফিল্ড বর্তমানে এটি under-construction রয়েছে অতি শীঘ্রই থেকে বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে দোহাজারী ইয়ারপোট বলা হয়। এটিও পরিত্যক্ত হাজার 1944 থেকেও 1945 সালের যুদ্ধের সময় এটি ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এখানে কৃষি কাজ করা হয় আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে চকরিয়া এয়ারপোর্ট বলা। হয় বর্তমানে এটি ব্যবহার করা হয় না পূর্বে এটি মেলেটারি এয়ারপোর্টে ব্যবহার করা হতো। চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলা এয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে বলা হয়। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার সময় ব্যবহার করা হতো।

খুলনা বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
প্রথমে যেই এয়ারপোর্টের নাম আসবে সেটি হল যশোর এয়ারপোর্ট। এয়ারপোর্ট ডোমেস্টিক ফ্লাইট অফার এর জন্য ব্যবহার করা হয়। ঢাকা থেকে এর ভাড়া নরমালি 2800 টাকার মত হয়ে থাকে। এই এয়ারপোর্ট এয়ারপোর্ট এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়। খুলনা বিভাগে আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে যেটি এখন নির্মাণাধীন তার নাম হলোঃ খান জাহান আলী ইয়ারপোর্ট। বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত বর্তমানে under-construction রয়েছে। আশা করা যায় অতি শীঘ্রই নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

রাজশাহী বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
রাজশাহী বিভাগের কথা বলি প্রথমে যেই এয়ারপোর্টের নাম আসবে সেটি হলোঃ শাহ মখদুম এয়ারপোর্ট। ডোমেস্টিক ফ্লাইট এর জন্য ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্লাইং একাডেমি ট্রেনিং এখানে সম্পন্ন করা হয়। নরমালে ঢাকা থেকে রাজশাহী এয়ারপোর্ট এর ভাড়া 26০০ টাকা থেকে শুরু হয়। তারপর যেই এয়ারপোর্টে নিয়ে আমরা আলোচনা করব সেটি হল ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট। 1996 সালের পর থেকে এয়ারপোর্ট বন্ধ রয়েছে। এই বিভাগে আরও দুটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে একটি হল বগুড়া এয়ারপোর্ট। এবং অন্যটি সিরাজগঞ্জ এয়ারপোর্ট। বগুড়া এয়ারপোর্ট বর্তমানে মেলেটারি হেয়ার বেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। সিরাজগঞ্জ এয়ারপোর্ট এর কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

রংপুর বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
রংপুর বিভাগে কি কি ইয়ারপোর্ট রয়েছে, প্রথমে যেই এয়ারপোর্ট এর নাম হল সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট। ঢাকা থেকে এয়ারপোর্ট এর ভাড়া 2800 টাকা থেকে শুরু হয়। এটি নীলফামারী জেলায় অবস্থিত। এই বিভাগে আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে,লালমনিরহাট এয়ারপোর্ট বলা হয় ।এটি মেলেটারি কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে তাকে ঠাকুরগাঁও এয়ারপোর্ট বলা হয়। এয়ারপোর্ট থেকে লিওন 1965 সালের যুদ্ধের সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর 1980 সালের পর থেকে এয়ারপোর্ট এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সিলেট বিভাগে কয়টি ইয়ারপোর্ট রয়েছেঃ
প্রথমে যেই এয়ারপোর্টের নাম আসবে সেটি হল ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। 2002 সালে এটিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করা হয় ।নরমালে ঢাকা থেকে এয়ারপোর্ট ভাড়া 2500 টাকা থেকে শুরু হয়। সিলেট বিভাগে আরেকটি ইয়ারপোর্ট রয়েছে যাকে শমশেরনগর এয়ারপোট বলা হয়। এটি সীমান্তের অনেক কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই এয়ারপোর্ট এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।


আমার এই পোষ্টি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।আজ এ পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, এবং নিরাপদে থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.