বাচ্চার জেদ কমানোর উপায়

বাচ্চার জেদ কমানোর উপায়

ছেলে বা মেয়েরা অবশ্য একটু কথা বলতে শিখলেই জেদ শুরু করে। যদি আপনার সন্তানের সাথে এটি ঘটে তবে তা আপনার ভবিষ্যত জীবনের জন্য ভালো হবে না। আপনার সন্তান কি খুব জেদী বা একগুঁয়ে? সবসময় শিশুর সাথে লেগে থাকুন। সে যদি অকারণে বিছানায় যায়, যদি সে শুতে যায়, যদি সে পানি খেতে যায়, যদি সে খেতে যায়, যদি সে স্নান করতে যায়, সে যদি ছেড়ে দেয় তবুও সে কোন কিছুতেই তৃপ্ত হবে না। ফলে বিভিন্ন কাজে বাধা সত্ত্বেও তা সহ্য করতে হয়।

প্রিয় দর্শক বন্ধুরা, আপনি যদি এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন বা আপনার একগুঁয়ে সন্তানের স্বাভাবিক জেদ কমানোর উপায় খুঁজছেন, আমি বলব আপনি সঠিক জায়গায় আছেন। অভিজ্ঞতার আলোকে এবং ওয়েবসাইটের নীচে বৈজ্ঞানিকের সংমিশ্রণে আমরা এখানে সাতটি হোম গেট কমানোর টিপস লিঙ্ক করেছি। এই সূত্রগুলি অনুসরণ করা আপনার সন্তানকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আরও আত্মবিশ্বাসী এবং আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করতে পারে।

বাচ্চার জেদ কমানোর সূত্র নং 1

সমান অধিকার- একটি পরিবারে একাধিক সন্তান থাকতে পারে। শিশুদের সবার জন্য সমান অধিকার রয়েছে। তাই শিশুর মনে সমতা সফটওয়্যার ইন্সটল করতে পারলে শিশু কমবেশি কোনো কিছুতেই রাগ করবে না। তবে অভিভাবকদের সবসময় সেদিকে নজর রাখতে হবে।

বাচ্চার জেদ কমানোর সূত্র নং 2

আলিঙ্গন – আপনি যদি শিশুর সাথে বেশি সময় কাটান বা স্নেহ করেন তবে শিশুরা তার ভক্ত হয়ে যায়। আদর্শ শিশুদের সাথে খেলা বা তাদের নিজেদেরকে উপভোগ করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করা পিতামাতার দায়িত্ব। শিশুকে বেশি করে আলিঙ্গন করা বা চুমু খাওয়া শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশুর নিয়মিত চুম্বন শিশুর মন ও শরীর উভয়কেই সাহায্য করে।

বাচ্চার জেদ কমানোর সূত্র নং 3

প্রশ্রয় – শিশুরা সাধারণত খুব দ্রুত সঠিক থেকে ভুল বিচার করতে পারে না। তাই শিশু খারাপ কাজ করতে চাইলে তাকে প্রশ্রয় না দিয়ে শিশুর সামনে বিষয়টি তুলে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে বাস্তব উদাহরণের সাহায্য নিতে পারেন।

বাচ্চার জেদ কমানোর সূত্র নং 4

আত্মশুদ্ধি – শিশুরা সাধারণত অন্যদের অনুকরণ করে বড় হয়। আপনি নিজেও সবসময় রাগান্বিত হন এবং মাথা গরম করে অন্যকে বকাঝকা করেন, এবং আপনি যদি আপনার সন্তানকে রাগ এবং পরচর্চার মন্দ কথা বলেন- তাহলে সন্তানের কাছ থেকে ভাল কিছু চাওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই হবে না।

আবার বাসায় নামাজ পড়লে দেখবেন বাচ্চারাও আপনাকে অনুকরণ করে নামাজ পড়ছে। আপনি যদি দেখেন তারা ল্যাপটপ ঠেলে দিচ্ছে – বাচ্চাদের ল্যাপটপ ঠেলে দিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তাই শিশুদের শেখানোর আগে নিজের মধ্যে ভালো শিক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

বাচ্চার জেদ কমানোর সূত্র নং 5

শিশুদের গুরুত্ব দেওয়া- আজকাল দেখা যায় অনেক অভিভাবক মোবাইল নিয়ে ফেসবুক ও টুইটারে বেশি সময় দেন। ফলে শিশু কী বলতে চায় তাতে কিছু যায় আসে না। ফলে শিশু খারাপ কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়। সুতরাং, প্রতিটি পিতামাতার দায়িত্ব তাদের সন্তানরা কী করতে চায় এবং তারা কী বলতে চায় সেদিকে মনোযোগ দেওয়া।

শেষ পর্যন্ত, আপনার শিশুর দেখতে কেমন হবে তা আপনার উপর নির্ভর করে। তাই আদর্শ সন্তান লালন-পালনের আগে আদর্শ বাবা-মা থাকা ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.