আসসালমু আলাইকুম। কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সকলেই অনেক অনেক ভাল আছেন। আপনারা জানেন যে,অতি শীর্ঘয় বাংলাদেশে আসতেছে বুলেট ট্রেন ঢাকা তেকে চট্রগ্রাম নকশা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। রেলপথেই 60 মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া যাবে।

Bulet train

বিস্তারিত নিচে

বুলেট ট্রেনটি চালু হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছানো যাবে মাত্র 60 মিনিটে। অর্থাৎ ছয় ঘণ্টার জায়গায় সময় বাঁচবে পাঁচ ঘণ্টা।ঢাকা থেকে কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণ করা হলে এ পথে যাতায়াতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগবে। এই প্রকল্পের পরিচালক মো. কামরুল আহসান বলেন, “এ বছরের এপ্রিলের মধ্যে প্রকল্পের বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হবে।”তিনি আরো বললেন:-প্রস্তাবিত রেলপথে মোট ছয়টি স্টেশন রয়েছে।

সেগুলো হলো: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলি এবং চট্টগ্রাম ।তিনি আরও বলেন, শুরুতে ৪০ জোড়া রেল চালু করা হবে। পরে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী রেলের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২৭ দশমিক ৩ কিলোমিটারের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ফেনী-চট্টগ্রাম রেল রুটের অনুমোদন দিয়েছেন।

এ প্রকল্পে ব্যয় ছিল ৯৭ কোটি ৪১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ১ মার্কিন ডলার ৮৩ টাকা ৮৫ পয়সা খরচ করে কিনতে হয়েছে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের ৩২১ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।এসব স্টেশন হচ্ছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী এবং চট্টগ্রাম।

তবে এখানে একটি কমে পাঁচটি স্টেশন হতে পারে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, এর আগে কোরিয়ান দুই কোম্পানী হাইস্পিড রেল নির্মাণের প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি রেলওয়ে। গত বছর রেলওয়ের জন্য ১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) কেনা হয় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে। ইঞ্জিনগুলো কিনতে ঋণ দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। গত বছর আগস্টে ইঞ্জিনগুলো সরবরাহ করে কোরিয়ার হুন্দাই রোটেম কোম্পানি। তবে ইঞ্জিনগুলোয় দরপত্রের শর্তানুসারে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজন করা হয়নি।

নিম্নমানের যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি করা এসব ইঞ্জিন। ইঞ্জিনগুলো এখন রেলের গলার কাঁটা হয়ে আছে। সে কারণেই মেগা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চীনের উপরই ভরসা রাখতে চাচ্ছে রেলওয়ে চায়না-বাংলাদেশ যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন চৌধুরী মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছি।

নকশা তৈরির কাজ শেষ হবে। বুলেট ট্রেন চালু হলে দেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।বুলেট ট্রেনের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. কামরুল আহসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। নকশা তৈরির কাজ চলমান আছে। এপ্রিল মাসের মধ্যেই এটির কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বর্তমানে, বাংলাদেশ রেলওয়ে সারাদেশে ৩ হাজার কিলোমিটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে ৩৬০টি যাত্রীবাহী রেল পরিচালনা করছে।তবে, যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও প্রতি বছর মোটা অঙ্কের লোকসান গুনছে প্রতিষ্ঠানটি।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, বুলেট ট্রেনটি চালু হলে চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বিরাট ভূমিকা পালন করবে। কীভাবে দ্রুত কাজ শেষ করা যায়, এ বিষয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

আসা করি ভালো লাগেছে ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.