মহাকাশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নতি
1936 সাল মহাকাশবিজ্ঞান এখন প্রগতিশীল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নতি সত্ত্বেও আজ অব্দি ব্রহ্মাণ্ডের অন্য কোন প্রান্তে মানুষ অচেনা কোন প্রাণের সন্ধান পায়নি । কিন্তু দু'বছর আগে থেকে গ্লোবাল এক্সপ্রেস এসি বারবার একটা নতুন সিগন্যাল পেতে শুরু করে । এমন সিগন্যাল আগে কখনো পাওয়া যায়নি এই সিগন্যাল এর উৎস সন্ধান করে জানতে পারা যায় । সেটা সে কয়েক কোটি আলোকবর্ষ দূরের একটা তারামণ্ডল বা গ্যালাক্সি থেকে যেটা আস্তে আস্তে দূরে সরে যাচ্ছে । 

এই তথ্য আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন, এই রহস্য উৎঘাটনের পরিকল্পনা করতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন এক মহাকাশ যানের থেকেও বেশি হবে। শেষ পর্যন্ত মহাকাশ যান তৈরীর কাজ সম্পন্ন হয়েছে মহাকাশ যানের নাম উপযুক্ত সেটার নাম হলো কিন্তু যদি তার সর্বোচ্চ গতিতে মহাশূন্যে পাড়ি দিতে হয় তাহলে অটোপাইলট ব্যাকগ্রাউন্ড কন্ট্রোলের মাধ্যমে সেটা সম্ভব নয় । আরও দ্রুত গতিতে গেলে মানুষের প্রয়োজন। তাই চারজন বাছাই করে অভিজ্ঞ মহাকাশ চারী ইতিহাসে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ অভিযান সফল করার জন্য তৈরি হয়েছেন।

অবশেষে যাত্রা শুভক্ষণ আসন্ন পৃথিবীর মহাকাশ যান তার ক্যারিয়ারের দিকে রওনা দিলো আরো উপরে উঠে যাচ্ছে এবার আমাদের মহাকাশযান বায়ু মণ্ডলের সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছে তৈরি হচ্ছে তার প্রথম অগ্নিপরীক্ষা সম্মুখীন হতে থাকে এমন অসংখ্য অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে । তার সামনে এখন তাদের কক্ষপথে বেঁচে থাকা অসংখ্য কৃত্রিম উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ ঢেকে রেখেছে সামনে চলার পথ তবে সৌভাগ্যের কথা এই ধরনের বাধা অতিক্রম করতে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে এখন প্রশ্ন হলো মহাশূন্যের যাত্রাপথে প্রথমে কার সাথে দেখা মিলল ।

অবশ্যই পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ আমাদের সবার প্রিয় চাঁদের মজার ব্যাপার হলোঃ যদি একটা সাধারন বিমানে পৃথিবী থেকে চাঁদে পাড়ি দিতে হয় । তাহলে পাক্কা 17 দিন সময় লাগবে আর লাগবে প্রচুর বাতাস যার মধ্যে দিয়ে সাধারন বিমানের পক্ষে সম্ভব হবে- কিন্তু আমাদের পক্ষে এগুলো কিছুই নয় ।অনেক বেশি উন্নত আর দ্রুতগামী চাঁদকে বিদায় জানিয়ে অল্পসময়ের মধ্যেই দেখা দিল । মঙ্গল আমাদের সৌরজগতের গ্রহ সৌরজগতের উচ্চতম পর্বত মহাকাশ থেকে স্পষ্ট দেখা যায়।

এবার মায়া কাটিয়ে সামনে দ্বিতীয় অগ্নিপরীক্ষা সেটা হলো সমগ্র পৃথিবীর সবথেকে বৃহত্তম গ্রহাণু দ্বিগুণেরও বেশি। বৃহস্পতি আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ ৮৯ হাজার মাইল যুক্ত। পৃথিবী থেকে ১১ গুন বড়। কিন্তু বৃহস্পতির গায়ে ওটা কি ওটা একটা বিশাল আকার ঘূর্ণিঝড় যা কয়েক শতাব্দী ধরে হয়ে চলেছে। এটাই বৃহস্পতি সে বিখ্যাত রেডস্পট যেটা একাই পৃথিবীর আয়তনের দ্বিগুণ। বৃহস্পতি শক্তিশালী আকর্ষণ কে পাশ কাটিয়ে পৌঁছে গেল সেই বিখ্যাত বলের কাছে এই বলে এর উপাদান হলোঃ বরফের পাথর’ আমাদের পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত খানি এবার সময় নষ্ট শক্তি পরীক্ষা করতে আরও দুটি গ্রহের কক্ষপথ বেরিয়ে গেল কয়েক মুহূর্তের মধ্যে এবার দেখা যায়।পৃথিবীতে গ্রহ এতটাই দূরে যে শক্তিশালী ছাড়া প্রায় দেখাই যায়না ।আলোর গতিতে ছুটছে কিন্তু সামনে একটা বিশাল গ্রহাণু ক্ষেত্র আমাদের সৌরজগতের সীমানা বড় ভয়ঙ্কর নয় ।

তার মানে আমাদের সৌরজগতের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছে এবার আমাদের সৌরজগতের সীমানা নির্ধারক হতে হবে ।কিন্তু গন্তব্য এখনো অনেক দূরে আলোর গতিতে ছুটে এসে পৌঁছাতে সময় তো লাগবেই ।তবে এখন তৈরীর জন্য চোখের পলক পড়তে না । পড়তেই অপরের মধ্যে ঢুকে পড়ল এটা আমাদের সৌরজগতের সর্বশেষ গ্রহাণু ক্ষেত্র। তবে আগের মত বিপদসংকুল নয় কারণ এই অঞ্চলের গ্রহগুলোর একে অপরের থেকে বেশ দূরে দূরে ছড়িয়ে আছে। এবার শুরু বৃহত্তম মহাশূন্য নিরাপদ করা যেতে পারে ।

চোখের নিমেষে পার হয়ে গেল এখান থেকে দেখা যাচ্ছে, সূর্যের প্রতিবেশী নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরি আর দুই বড়- ভাইকে সৌরজগতের কোন গ্রহ উপগ্রহ, কোন প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু সময় নষ্ট করা চলে না করার জন্য কিন্তু এবার মাত্র একটানা পরপর বেশ কয়েকটি পেপার হয়ে যেতে লাগল ।এক হাজার আলোকবর্ষ চলে এসেছে মহাশূন্যের অনেক গভীরে। এখান থেকে গোটা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে দেখা যাচ্ছে, এ দৃশ্য ভোলার নয় কিন্তু এখনো আকাশগঙ্গা সীমানার মধ্যে আছে। তাই সময় নষ্ট না করে আরও অনেক দূরে যেতে হবে ।কিন্তু একসময় থামতে হলো এখন প্রশ্ন হলো কেন হলো

বিস্ফারিত চোখে মহাকাশচারীরা দেখতে লাগলেন বেশ কিছুটা দূরে একটা নক্ষত্রের জীবনাবসান। এমন বিস্ফোরণ মানুষ কখনো চোখের সামনে প্রত্যক্ষ করেনি এবার ঠিক করে আবার একসাথে করতে প্রতিবেশী তারামণ্ডল এর দোরগোড়ায় পৌঁছে। তবে শুধু এখান থেকে আরো অনেক কিছু দেখা যায়, নিরাপদ দূরত্ব থেকে পরিষ্কার দেখতে পেলেন। আলোকবর্ষ দূরে আরও এক গুচ্ছ তারামণ্ডল তারামণ্ডল এর ঠিক মাঝখানে তৈরি হলোঃ এবার এসে পৌঁছেছে এখন তার জন্য তৈরি চূড়ান্ত গন্তব্য সেই রহস্যময় সিগন্যাল অভিযান। শুরু থেকেই এই সিগন্যাল তাদের সাথে আছে আর প্রত্যেকের সাথে সাথে সেই সিগন্যাল আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

সেই সিগন্যাল অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে কারণে তারা অতিক্রম করবেন আরো প্রায় 100 কোটি আলোকবর্ষ ঈদ শেষ এখন তারা এসে পড়েছেন । এখানে একটা ছোট ব্ল্যাকহোলে চারপাশে অনেকগুলো নক্ষত্র ঘুরপাক খাচ্ছে। আর প্রত্যেকটা নক্ষত্র গ্রহ এখানে সিগনাল অনেক শক্তিশালী কিন্তু যতটা আশা করা গিয়েছিল ততটা নয়। এখন মনে হচ্ছে সিগন্যাল এর উৎস এখান থেকে অনেক দূরে। এই অদ্ভুত পরিস্থিতিতে কী করা যায় ভেবে না পেয়ে তারা করবেন কিন্তু কোথায় এখানে নিকষ কালো অন্ধকার নিস্তব্ধ । যে মনে হয় শ্রবণ শক্তি লোপ পেয়েছে হারিয়ে গেছে দৃষ্টি শক্তি এমন সময় চোখ ধাঁধানো গ্রাস করে ফেললেন।

তারা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শেষ সীমানা এসে পড়েছেন, এই সীমার বাইরে কি আছে, তা মানুষ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি। সামনে দেওয়ালের কোন শেষ নেই কিন্তু থেমে নেই সরে যাচ্ছে আরও দূরে আর সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছে সেই রহস্যময় সিগন্যাল। যেটা হঠাৎ করে অতিরিক্ত শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। এবার বুঝতে পারলেন ওই সিগন্যালকে ধাওয়া করা ছিল। মহাবিশ্বের হাতছানি কিন্তা দীপিকা ছাড়তে বদ্ধপরিকর আরেকটু সময় নিল সিদ্ধান্ত ।তারপর চাপ দিলেন স্ক্রিউড্রাইভের হাতলে চোখের নিমেষে মহাকাশযান মিলিয়ে গেল জগতে শুরু হলো তার অন্তহীন যাত্রা ।

They have come to the last frontier of the universe, what is beyond this limit, people have not been able to discover until today. There is no end to the front wall but it does not stop moving away and carrying that mysterious signal with it. Which suddenly became extra powerful. This time he realized that the signal was being chased. It took a little more time to decide to leave Deepika, the handmaiden of the universe.

daily info71.com

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.