মহাকাশ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কিত কিছু মৌলিক বিষয়

মহাকাশ -Space।
মহাবিশ্ব- Universe।
জ্যোতিষ্ক- Celestial Bodies।
নক্ষত্র- Star।
গ্রহ- Planet।
গ্রহাণুপুঞ্জ -Asteroids।
উপগ্রহ- Satellite।
ধূমকেতু -Comet।
উল্কা -Meteors।
নীহারিকা- Nebula।
নক্ষত্রলোক -Galaxy।
ছায়াপথ- Milky Way।


বিস্তারিতঃ

মহাকাশ(Space):

পৃথিবীকে ঘিরে যে অনন্ত ও সর্বব্যাপী ব্রহ্মাণ্ড বা জগৎ আছে তাকেই এক কথায় মহাকাশ বলে।


জ্যোতিষ্ক (Celestial Bodies):

দিনের আকাশে দেখা যায় সূর্য,রাতের আকাশে দেখা যায় চন্দ্র এবং অসংখ্য ছোট-বড় উজ্জ্বল আলোকবিন্দু।এদের একত্রে বলা হয় জ্যোতিষ্ক। জ্যোতিষ্ক মন্ডলের অন্তর্ভুক্ত হলো-নক্ষত্র,গ্রহ,গ্রহাণুপুঞ্জ,উপগ্রহ,ধূমকেতু,উল্কা,নীহারিকা ও ছায়াপথ।


নীহারিকা (Nebula):

মহাকাশে একধরণের জ্যোতিষ্ক আছে যাদের বহুদূর থেকে হাল্কা মেঘের ন্যায় দেখতে।এগুলি উত্তপ্ত ও হাল্কা গ্যাসীয় পদার্থ দ্বারা তৈরি।এদের বলে নীহারিকা । বিজ্ঞানীদের অনুমান নীহারিকা থেকে নক্ষত্রের সৃষ্টি হয়।


ধূমকেতু (Comet):

মহাকাশে বহুবছর বাদে বাদে একপ্রকার জ্যোতিষ্কেরর আবির্ভাব ঘটে,যেগুলি কিছুদিন পরেই আবার মিলিয়ে যায়। এদের একটি উজ্জ্বল মাথা এবং বাষ্পময় সুদীর্ঘ লেজ থাকে । লেজটি লক্ষ-লক্ষ কিলোমিটার লম্বা ও ঝাঁটার মতো দেখতে হয়।এরূপ জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে।

ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। উদাহরণ- হ্যালির ধূমকেতু । প্রতি ৭৬ বছর অন্তর একে আকাশে দেখা যায়। আবিষ্কারক স্যার এডমণ্ড হ্যালির নামানুসারে এর নাম হল হ্যালির ধূমকেতু ।

গ্রহ (Planet):

যে পৃথিবীতে আমরা বাস করি সেটি একটি গ্রহ।যে সব জ্যোতিষ্ক কোনো নক্ষত্রের বা সূর্যের চারপাশে নির্দিষ্ট পথে ও নির্দিষ্ট সময়ে ঘুরে বেড়ায় তাদের গ্রহ বলে। সূর্যের আলো গ্রহদের গায়ে পড়ে বলে এরা আলোকিত হয়। গ্রহগুলির নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই। গ্রহগুলির মধ্যে বৃহস্পতি ও প্লুটো ক্ষুদ্রতম।


গ্রহাণুপুঞ্জ ( Asteroids):

অতি ক্ষুদ্রাকার অসংখ্য জ্যোতিষ্ক মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহ দুটির মধ্যে অবস্থান করে,এদের গ্রহাণু বলে। হাজার হাজার গ্রহাণুগুলি একসাথে ঝাঁক বেঁধে থাকে বলে এদের গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।


উপগ্রহ (Satellite):

যে জ্যোতিষ্ক কোনো গ্রহের চারদিকে নির্দিষ্ট পথে ও নির্দিষ্ট সময়ে ঘোরে তাকে উপগ্রহ বলে।এরাও নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত ও উত্তপ্ত হয়।পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হল চাঁদ। বৃহস্পতির উপগ্রহ গ্যানিমিড হলো সৌরজগতের সবচেয়ে ভারী ও বৃহত্তম উপগ্রহ ।

নক্ষত্রলোক (Galaxy):

বিশালাকার কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে চারদিকে কোটি কোটি নক্ষত্র যখন প্রদক্ষিণ করে তখন তাকে নক্ষত্রলোক বলে।


উল্কা (Meteors):

রাতে কখনও-কখনও একটি আলোক বিন্দুকে তীব্র গতিতে আকাশ থেকে খসে পড়তে দেখা যায়। এদের উল্কা বলে।ধূমকেতু বা গ্রহাণু ভেঙে গিয়ে যখন বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে তখন বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের কারনে জ্বলে ওঠে ।উল্কার আঘাতে ভূপৃষ্ঠে গভীর ও বিশাল গর্তের সৃষ্টি হতে পারে ।


নক্ষত্র( Star):

যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। নক্ষত্র হলো জলন্ত গ্যাসপিন্ড যা রাতের আকাশে মিটমিট করে জ্বলে। আমাদের সব থেকে কাছের ও উজ্জ্বল নক্ষত্র হল সূর্য।


ছায়াপথ(Milky Way):

অসংখ্য নক্ষত্র পাশাপাশি একত্রে অবস্থান করলে যে উজ্জ্বল পথ বা বলয়ের সৃষ্টি হয় তাকে বলে ছায়াপথ।এর অপর নাম আকাশগঙ্গা আকাশ কোথাও কোথাও কয়েকটি নক্ষত্র দলগত ভাবে অবস্থান করে।


মহাবিশ্ব(Universe):

মহাকাশে চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ, নক্ষত্র,ধূমকেতু,উল্কা,নীহারিকা, কৃষ্ণগহ্বর,ছায়াপথ প্রভৃতি সব কিছু নিয়ে গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব।

মহাকাশে চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ, নক্ষত্র,ধূমকেতু,উল্কা,নীহারিকা, কৃষ্ণগহ্বর,ছায়াপথ প্রভৃতি সব কিছু নিয়ে গঠিত হয়েছে মহাবিশ্ব।

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.