মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায়

মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায়

মানসিক চাপ জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানসিক চাপ থাকবে। আমাদের লক্ষ্য হবে মানসিক চাপ কমানো বা জীবনের সাথে এগিয়ে যাওয়া। চুইংগাম স্ট্রেস এবং দুশ্চিন্তা দুটোই কমায়। কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় মস্তিষ্কে রক্ত ​​সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়। আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ ও গন্ধ দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। বাড়ির বাইরে সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান দেখায় যে আপনি বাড়ির কাছাকাছি থাকলেও, বাইরে কয়েক মিনিট সময় কাটালে আপনার মানসিক চাপ কমে যাবে এবং আপনি সতেজ ও উজ্জীবিত বোধ করবেন। সত্যিকারের হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতটা সম্ভব আমাদের মুখে হাসি রাখা উচিত।

ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত একটি গান শুনুন। সঙ্গীত মানসিক চাপ কমায়। সঙ্গীত মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক রাসায়নিক নির্গত করে, যা আপনার মেজাজকে উদ্দীপিত করে এবং চাপ কমায়।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম আপনার চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামে দীর্ঘ শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। দিনে অন্তত দশবার শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যাবে।

আপনি যদি মানসিক চাপ অনুভব করেন তবে আপনার সমস্যার কথাগুলো ডায়েরির পাতায় বা কোথাও লিখে রাখুন এবং কিছুক্ষণ পর দেখবেন আপনি নিজেই সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। ফলে মানসিক চাপ থাকবে না। সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভালো

বন্ধু থাকলে বা আপনার সমস্যার কথা কাউকে জানালে দেখবেন ধীরে ধীরে মানসিক চাপ কমে যাবে। তবে আপনার বন্ধু বা আত্মীয় স্বার্থপর হলে মানসিক চাপ কমার বদলে বাড়বে। তাই আপনাকে জানতে হবে আপনার বন্ধু বা আত্মীয় কে।

প্রতিদিন অন্তত একবার সকালে বা বিকেলে ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাঁটা, বোটিং বা শারীরিক কার্যকলাপ আপনাকে ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। ব্যায়াম এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের সুখী করে।

এন্ডোরফিন মানে অন্তঃসত্ত্বা মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হবে না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যথা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দ সৃষ্টি করে।

একটা কথা সবারই জানা দরকার তা হল মানসিক চাপ চলতে থাকলে মুখের ভিতর যে রোগগুলো পরিলক্ষিত হয় সেগুলো সহজে ভালো হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভালো থাকতে চাইলে মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.