মাসিক কি? মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়? মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ? মাসিক হলে করনীয়? মাসিক দেরী হওয়ার কারণ?

আপনারা যারা- মাসিক কি? মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়? মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ? মাসিক হলে করনীয়? মাসিক দেরী হওয়ার কারণ? এ সব গোপনিও সমস্যায় পরে আছেন,তারা হয়তো কেউ এসব সমস্যার কথা কারো সাথে শেয়ার করতে চায় না। তাই এজন্য আমার এই পোষ্ট আপনাদেরকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক—

মাসিক কি? মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়? মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ? মাসিক হলে করনীয়? মাসিক দেরী হওয়ার কারণ?

আমরা আজকে যে সব বিষয়ে জানতে পারব-

  • মাসিক হওয়ার দোয়া
  • মাসিক কি?
  • মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়?
  • মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ?
  • মাসিক হলে করনীয়?
  • মাসিক দেরী হওয়ার কারণ?
  • মাসিক হওয়ার দোয়া

মাসিক হওয়ার দোয়া

মাসিক হওয়ার দোয়া

মাসিক কি

নারীদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় প্রভাবকারী একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে মাসিক। ডিম্বাশয়, ডিম্বাশয় হতে বহির্গত হবার নালী (Fallopian tube), জরায়ু, এন্ডোমেট্রিয়াম (Endometrium) এবং যোনির সমন্বয়ে তৈরী প্রজনন অঙ্গ তলপেটে অবস্থিত।

মাসিক চক্রের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনে আছে এসট্রোজেন এবং প্রজেসটেরোন যা শরীরকে গর্ভবস্থার জন্য তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত, প্রতি ২৮ দিন পরপর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নি:সৃত হয়, যা জরায়ুর দুই পাশের নালী (Fallopian tube) দিয়ে জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করে।

গর্ভধারণ না করলে, অনিষিক্ত ডিম্বাণু এবং জরায়ুর আবরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) একত্রে প্রত্যেক চক্রে শরীর থেকে ঝরে যায়। একেই মাসিক তৈরী হওয়া বা রজ:স্রাব (Menstruation) বলা হয়।

মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়

একটি মাসিক চক্র একটি মাসিক ঘটনা যা গর্ভাবস্থার জন্য একটি মহিলার শরীরকে তৈরি করে । আপনার পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকে আপনার পরবর্তী পিরিয়ডের সময়ের আগে গণনা করা হয়, মাসিক চক্র গড় ২৮ থেকে ২৯ দিন পর্যন্ত চলতে থাকে । কিছু মহিলার ২১ দিনের সংক্ষিপ্ত চক্র রয়েছে, এটিও সম্ভব ।

ঘন ঘন মাসিক হয় কেন

মেয়েদের শরীরে মাসিক প্রধানত দুটি হরমোন নিয়ন্ত্রন করে সেটি হােল ইস্ট্রজেন এবং প্রজেস্টেরন। অয়মিত মাসিক অনেক কারনেই হতে পারে যেমন- ইস্ট্রজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের তারতম্য হলে, কোন কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে, শরীরের রক্ত কমে গেলে, কারও কারও ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে গেলে, দৈনন্দিন কাজে খুব বেশি পরিবর্তন আসলে।

মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ

মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে ডিম্বাশয়ের ত্রুটি বা সিস্ট, হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা, অপুষ্টি। অপুষ্টির মানে কেবল ভগ্নস্বাস্থ্য নয়, শারীরিক স্থূলতা বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়াও অপুষ্টির লক্ষণ। কখনো কখনো সন্তান প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মাসিকের সময় স্বাভাবিক লক্ষণ

মুখে ব্রণ হওয়ার সম্ভবনা থাকে ঘুমের সমস্যা হতে পারে মাঝে মাঝে বমি ভাব হতে পারে তলপেটে ব্যথা

মাসিক হলে করনীয়

মাসিক কি? মাসিক কখন শুরু এবং শেষ হয়? মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ? মাসিক হলে করনীয়? মাসিক দেরী হওয়ার কারণ?

মাসিক দেরী হওয়ার কারণ

বেশকিছু কারণে পিরিয়ড সাময়ীকভাবে বন্ধ থাকতে পারে বা দেরি হতে পারে। যেমন-

  • গর্ভাবস্থা: পিরিয়ড লেট হলে প্রথমেই নিশ্চিত করুন আপনি গর্ভবতী কিনা।
  • বয়স: টিনেজ বয়সী ও মধ্যবয়সী নারীদের মাঝে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনে কারণটা হলো হরমোন।
  • স্ট্রেস: লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই পিরিয়ড লেট হতে পারে।
  • আর্লি প্রেগনেন্সি লস: একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না, এরপর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছুদিন পর ভারী রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই লেট পিরিয়ড বলে ধরে নেন।
  • কম ওজন: ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছুদিন বন্ধও থাকতে পারে।

তো বন্ধুরা আমার এই পোষ্টি যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমাকে কমেন্ট করে উৎসর্গ করবেন। তো আজকে এই পর্যন্ত সখলেই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।
ধন্যনাদ

আরো পরুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published.