কে এই মেসি

২০১০ সালের মার্চে, ফুটবল ভিত্তিক ফরাসি ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলারদের তালিকায় মেসিকে শীর্ষস্থানে রাখে। ২৯.৬ মিলিয়ন পাউন্ড (৩৩ মিলিয়ন ইউরো) বার্ষিক আয় নিয়ে ডেভিড বেকহ্যাম ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে তিনি শীর্ষস্থান দখল করেন।

বেতন, বোনাস ও মাঠের বাইরের বিভিন্ন মাধ্যম হতে তিনি এই অর্থ আয় করে থাকেনতার সর্বমোট সম্পত্তি হিসাব করা হয়েছে ১১০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।[২৮৯] ২০১৪ সালের মে মাসে, ফোর্বস কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক প্রাপ্ত খেলোয়াড়দের তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পেছনে থেকে দ্বিতীয় হন মেসি। বিগত ১২ মাসে তার মোট আয় ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

পারিশ্রমিক

২০১২ সালের ডিসেম্বরে, বার্সেলোনা ঘোষণা করে যে মেসি পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি নবায়ণ করতে যাচ্ছেন যার মাধ্যমে তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় থাকবেন। এই চুক্তিতে তার পারিশ্রমিক বাড়িয়ে করা হয় ১৬ মিলিয়ন ইউরো (২১.২ মিলিয়ন ডলার), যা তাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলারে পরিণত করে। স্পেনে এই স্তরের আয়ের আয়কর বন্ধনী ৫৬% হওয়ায়, বার্সাকে মেসির পক্ষে আয়কর দিতে হবে ২০ মিলিয়ন ইউরোর (২৬.৫ মিলিয়ন ডলার) চেয়ে সামান্য বেশি।

আর্জেন্টিনার কোচদের মধ্যে আমি সাবেয়ার অধীনে খেলতেই সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছি। এটা সত্যি যে তার অধীনে আমাদের শুরুটা তেমন ভাল ছিল না, কিন্তু বাছাইপর্বের শেষদিক থেকে বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত দুর্দান্ত খেলেছি আমরা। অবশ্যই ফাইনাল জিততে না পারার একটা আক্ষেপ এখনও পোড়ায় আমাদের, কিন্তু তার অধীনে সেরা ফুটবলটা খেলেছি জাতীয় দলে। শুধু সাবেয়া নন, তার পুরো কোচিং স্টাফও অসাধারণ ছিল।

বর্তমান আর্জেন্টিনা দল প্রসঙ্গে

আর্জেন্টিনায় মেসির পছন্দের কোচ কে?
লিওনেল আন্দ্রেস “লিও” মেসি জন্ম: ২৪ জুন ১৯৮৭) একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় যিনি ফরাসী পেশাদার লীগের শীর্ষস্তর লীগ ১ এর ক্লাব পারি সাঁ-জেরমাঁ এবং আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৫ই আগস্ট, ২০২১ তারিখে বার্সেলোনা ঘোষণা করে যে লিওনেল মেসি ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করবেন না, ক্লাবটি মেসির চলে যাওয়ার কারণ হিসাবে স্প্যানিশ লিগার নিয়মকানুন দ্বারা সৃষ্ট আর্থিক এবং কাঠামোগত বাধার কথা উল্লেখ করেছে। মেসি প্রায়শই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে বিবেচিত এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন হিসাবে বিবেচিত।

দলে বেশ পরিবর্তন এসেছে। আগে ক্লাব পর্যায়ে অনেক ম্যাচ খেলেও জাতীয় দলে ফুটবলাররা সুযোগ পেত না। কিন্তু এখন অনেক তরুণরাই স্কোয়াডে সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। দারুণ একটা সময় কাটানোর পর নতুনদের জায়গা করে দিতে হয়- যেটা খুবই স্বাভাবিক। শিরোপা না জিতলেও আমরা তিনটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলেছি, যেটা অবশ্যই একটি অর্জন। এখনকার স্কোয়াডে আমি এক ঝাঁক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তরুণদের দেখতে পাই, যারা দেশের হয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে মুখিয়ে আছে।

ম্যারাডোনার কেমন ছিলেন?

সত্যি বলতে, ডিয়েগোর অধীনে আমরা তেমন ভাল ফুটবল খেলতে পারেনি। তার দর্শনে জেতার অনুপ্রেরণা, আবেগটা থাকলেও দল হিসেবে তার দর্শনে খেলাটা বেশ কষ্টসাধ্যই ছিল আমাদের জন্য। সাবেলার সাথে জাতীয় দলে সময়টা যেরকম উপভোগ করেছি, ডিয়েগোর সাথে এমনটা ছিল না।

পরাজয় যেভাবে নেন

আগে ম্যাচ হারলে অনেক বেশি কষ্ট পেতাম। কখনও রুমে তালাবদ্ধ হয়ে থাকতাম কয়েকদিন, ঠিকমত খাওয়া-দাওয়াও করতাম না। কিন্তু থিয়াগো জন্মের পর আমি বুঝতে পারলাম, জীবনে ফুটবলে হার-জিতের চেয়েও পরিবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখন হারলেও আমার দায়বদ্ধতা আছে আমার সন্তান এবং স্ত্রীর প্রতি। ম্যাচ হারলেও সেদিন খাবার টেবিলে পরিবারের সাথে থাকতেই হবে আমার। এখনও হারলে কষ্ট পাই, কিন্তু এখন সেগুলো অন্যভাবে সামাল দেই।

জাতীয় দলে শিরোপাখরা নিয়ে

অবশ্যই আমি জাতীয় দলের হয়ে শিরোপা জিতে বিদায় নিতে চাই। অনেকেই চায় না যে আর্জেন্টিনা কোনও শিরোপা জিতুক, কিন্তু নিন্দুকদের কথায় দমে যাওয়া যাবে না। এবারের কোপা আমেরিকায় আগের তিন টুর্নামেন্টের মতই আবারও শিরোপার জন্যই লড়ব আমরা। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে কী হবে, সেটা সৃষ্টিকর্তাই সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি চাইলেন আমরা শিরোপা জিতব, না চাইলে কখনোই জিতব না।

নিজের খেলা দেখেন কী না

আমি আগেও বলেছি, টেলিভিশনে বা ইউটিউবে নিজের খেলা দেখতে পছন্দ করি না কখনও। ম্যাচে যা হয়েছিল, যেভাবে খেলেছিলাম; ঠিক সেভাবেই আমি নিজের এবং দলের পারফরম্যান্স মনে রাখতে চাই। আমি টিভিতে আরেকবার নিজের খেলা দেখতে পছন্দ করি না। কিন্তু থিয়াগো, মাতেওদের জন্মের পর এখন খেলা দেখতেই হয় আমাকে।

২০১৫ কোপা আমেরিকা হারের পর

চিলির বিপক্ষে পেনাল্টিতে সেই ফাইনাল হারের পর সবাই আমাদের সবদিক দিয়ে আক্রমণ করেছিল। আমরা বড় ম্যাচ জিততে পারি না, দল হিসেবে আমরা ব্যর্থ। এত চেষ্টার পরেও জিততে না পারায় আমরা হতাশ ছিলাম, কিন্তু মানুষের সমালোচনা একটা সময় অসহনীয় পর্যায়ে চলে গিয়েছিল।

পারিবারিক জীবন

থিয়াগো রীতিমত ফুটবল পাগল। সে প্রত্যেক ম্যাচে মাঠে আসে, খেলা দেখে, বাড়িতেও ফুটবল নিয়েই পড়ে থাকে। বার্সা বা আর্জেন্টিনা হারলে আমাদের মতই কষ্ট পায় সে। বিশেষ করে এবার লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচ এবং কোপা ডেল রে ফাইনালের পর সে অনেক কান্না করেছিল। মাতেও একেবারেই ছোট, সে খেলা দেখে ঠিকই; কিন্তু থিয়াগোর মত আবেগী নয়। আমরা হারি বা জিতি, তার তাতে তেমন কিছু যায় আসে না।

ছেলেবেলার মেসি যেমন ছিলেন

ছোটবেলা থেকেই আমি পেশাদার ফুটবলার হতে চাইতাম। লা লিগায় বার্সেলোনার হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু আমার হাতেখড়ি হয়েছিল নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের হয়ে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে আমাকে আর্জেন্টিনা ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিতে হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু ছেড়ে আসতে আমার তেমন সমস্যা হয়নি, কারণ বার্সা দারুণভাবে সবকিছু আয়োজন করে রেখেছিল।

অবশ্য আমার চেয়ে আমার ভাইদের কষ্ট বেশি হয়েছিল। তাদের আর্জেন্টিনায় রেখে আসতে বেশ কষ্ট হয়েছিল বাবা-মা’র। ১৫ বছর বয়সে বার্সার ‘বি’ দলে থাকার সময় আমরা সব ছেড়ে আর্জেন্টিনায় ফিরে আসার চিন্তাও করেছিলাম। তবে পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নের কাছে কোনও কিছুই ছিল না, সেজন্যই থেকে যাই।

২০২২ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলবেন আর্জেন্টিনায়?

অবশ্যই কাতার বিশ্বকাপে খেলতে চাই। আশা করি এই সময়টায় গুরুতর ইনজুরি হবে না আমার, যাতে আমি খেলা এখনকার মতই চালিয়ে যেতে পারি। তবে বিশ্বকাপের এখনও অনেক সময় বাকি, আমি এখনও নিশ্চিত নই খেলা নিয়ে। তবে অবশ্যই আমি সর্বোচ্চ চেষ্টাই করব।

ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর কী হবে, এ ব্যাপারে কোনও চিন্তা করিনি। ছেলেবেলা থেকেই শুধু ফুটবল নিয়েই থাকতে চেয়েছি। অবসরের পর ফুটবল নিয়ে ব্যস্ততা আর থাকবে না। তখনকার জীবনটা চিন্তা করাই বেশ কঠিন আমার জন্য।

রেকর্ডস সমূহ

সর্বশেষ ডিসেম্বর,২০২০ অনুযায়ী।

বিশ্ব

  1. সবোচ্চ ফিফা ব্যালন ডি অর পুরস্কার: ৬ (২০০৯-১২, ২০১৫, ২০১৯)
  2. এক বছরে সর্বোচ্চ গোলের জন্য গিনেস বিশ্ব রেকর্ড পুরস্কার: ৯১ গোল (২০১২সালে)
  3. এক বছরে সব ক্লাব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোল: ৭৯ গোল (২০১২ সালে)
  4. এক মৌসুমে সব ক্লাব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোল: ৭৩ গোল (২০১১-১২
  5. ঘরোয়া লিগে টানা সর্বোচ্চ খেলায় গোল: ২১ ম্যাচে ৩৩ গোল (২০১১-১২ মৌসুমে
  6. প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এক ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোল: ৬৪৪ গোল
  7. ফিফা ফিফপ্রো বিশ্ব একাদশে সর্বোচ্চ অন্তর্ভুক্তি: ১৪ বার (২০০৭-২০২০) (ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাথে যৌথভাবে)

মহাদেশীয়

  1. সর্বোচ্চ ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শু: ৬
  2. উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: ৭টি হ্যাট্রিক (ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাথে যৌথভাবে)
  3. ইউরোপীয়ান কাপের এক খেলায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৫ গোল (অন্য তের জন খেলোয়াড়ের সাথে যৌথভাবে)
  4. উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের গ্রুপ পর্বে সর্বোচ্চ গোল: ৭১ গোল। (ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাথে যৌথভাবে)
  5. উয়েফা সুপার কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৩ গোল (অন্য সাত জনের সাথে সাথে যৌথভাবে)
  6. সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০০ উপস্থিতি: ২৮ বছর ৮৪ দিন (২০১৫ সালে)
  7. কোপা আমেরিকার সর্বোচ্চ সহায়তাকারী: ১২ সহায়তা
  8. কনমেবল অঞ্চলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২১ গোল (লুইস সুয়ারেজের সাথে যৌথভাবে)

আর্জেন্টিনা

  1. আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৭১ গোল
  2. এক পঞ্জিকাবর্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১২ গোল (২০১২ সালে)(গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার সাথে যৌথভাবে)
  3. একমাত্র আর্জেন্টাইন হিসেবে সকল কনমেবল দলের বিরুদ্ধে গোল
  4. আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়: ১৮ বছর ৩৫৭ দিন (২০০৬ বিশ্বকাপে)
  5. সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে গোল : ১৮ বছর ৩৫৭ দিন (২০০৬ বিশ্বকাপে)
  6. সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে কনমেবল অঞ্চলে জাতীয় দলের হয়ে ১০০ উপস্থিতি: ২৭ বছর ৩৬১ দিন (২০১৫ সালে)
  7. সর্বাধিক আর্জেন্টিনার সেরা ফুটবলারের পুরস্কার: ১১ বার (২০০৫, ২০০৭-১৩, ২০১৫-১৭)

স্পেন

  1. সর্বাধিক লা লিগা সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার: ৬ (২০০৯-১৩, ২০১৫)
  2. সর্বাধিক লা লিগা সেরা ফরওয়ার্ডের পুরস্কার: ৭ (২০০৯-১৩, ২০১৫,২০১৬)
  3. লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৪৫১ গোল
  4. লা লিগার সর্বোচ্চ গোলে সহায়তাকারী: ১৮৩ সহায়তা
  5. স্পেনীয় সুপার কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১৪ গোল
  6. লা।লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল: ৫০ গোল (২০১১-১২ মৌসুমে)
  7. লা লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিক: ৮টি (২০১১-১২ মৌসুমে) (ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাথে যৌথভাবে)
  8. প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগায় ৩০০ গোল
  9. একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগায় ৪৫০ গোল
  10. লা লিগার ইতিহাসে সর্বাধিক দলের বিরুদ্ধে গোল: ৩৭

বার্সেলোনা

  1. বার্সেলোনা ডার্বিতে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২১ গোল
  2. এল ক্লাসিকোতে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২৬ গোল
  3. অ্যাথলেটিক-বার্সেলোনা ক্লাসিকোতে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২৪ গোল
  4. প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৬৪৪ গোল
  5. প্রীতি ম্যাচ সহ সর্বোচ্চ গোলদাতা: – গোল
  6. উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১১৮ গোল
  7. ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১২১ গোল
  8. লা লিগায় সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিক: ৩৬টি
  9. সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিক: ৪৮টি
  10. সর্বাধিক প্রতিযোগিতামূলক ট্রফি জয়: ৩৪টি

By Taher

আসসালামু-আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি-ওয়াবারাকাতুহু ।আমি মোঃ আবু তাহের ইসলাম (আমান)। আমি গয়াবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করি । আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী 2022 সাল । আমার সাবজেক্ট একাউন্টিং। আমি ভবিষ্যতে যেকোনো একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে আমার জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী । আমার পুরো জীবনটা হচ্ছে, একটা সরল অংকের মত । যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি সমাধানের দিকে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ......নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই https://dailyinfo71.com/ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। ধন্যবাদ সবাইকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.